📌 পঞ্চগড় সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে ইমাম-মুয়াজ্জিনের সরকারি তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিনিময়ে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মিললে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে
পঞ্চগড় সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল খালেককে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ইমাম-মুয়াজ্জিনের সরকারি ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিনিময়ে টাকা দাবি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড় সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল খালেককে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযোগ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি
- 📌 পরবর্তীতে দাবি কমিয়ে ১০ হাজার টাকা করা হয়
- 📌 অভিযোগকারী মো. হাসনুর রশিদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ৭ আগস্ট লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়
📰 বিস্তারিত
পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বাধীন দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে মো. আব্দুল খালেককে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি মোলানি পাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. হাসনুর রশিদের নাম সরকারি ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগটির সত্যতা পাওয়া গেলে দলীয় নেতারা তাকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য মসজিদ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেন হাসনুর রশিদ। কমিটির পক্ষ থেকে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে আব্দুল খালেক ও মো. আইবুল হক প্রথমে ৩০ হাজার টাকা এবং পরবর্তীতে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ৭ আগস্ট পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন হাসনুর রশিদ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নেতারা সরেজমিন তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্তে অভিযোগটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে ১০ আগস্ট আব্দুল খালেককে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়।
"আমার কাছে ইমাম মুয়াজ্জিনের তালিকা চাওয়া হয়। আগের মুয়াজ্জিন হাসনুর রশিদের বউ অন্যের সঙ্গে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে অনেক ঝামেলা হলে তিনি বাদ পড়েন। পরে তিনি আমাকে জানান, আমাকে নিয়োগ দিলে আমি মসজিদে ৩০ হাজার টাকা দিবো। পরে বলেন, ১০ হাজার টাকা দিবো। পরে তাকে নিয়োগ না দেয়ায় তিনি এসব মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পঞ্চগড় সদর উপজেলা, পঞ্চগড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল খালেক, মো. হাসনুর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা, ৭ আগস্ট, ১০ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!