📌 বরিশালের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলন্ত ফ্যান দুর্ঘটনায় দু’শিশু দুর্ঘটনামুক্ত বেঁচে যায়। দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি, কিন্তু রোগীরা পুরোনো ফ্যানগুলো পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা কর্মকর্তা বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো পরিবর্তনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
বরিশালের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে চলন্ত ফ্যান দুর্ঘটনায় দু’শিশু দুর্ঘটনামুক্ত বেঁচে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি, তবে রোগীরা পুরোনো ফ্যানগুলো পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুলাদী হাসপাতালে চলন্ত ফ্যান দুর্ঘটনায় দু’শিশু দুর্ঘটনামুক্ত বেঁচে যায়
- 📌 ৫-৬ জন রোগী ফ্যান দুর্ঘটনার সময় অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু কেউ আহত হননি
- 📌 হাফসা বেগম জানান, ফ্যান দু’শিশুর পাশেই পড়ে গেলে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে
- 📌 রোগীরা হাসপাতালের পুরোনো ফ্যানগুলো পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন
- 📌 উপজেলা কর্মকর্তা সৈয়দ ফজলে রাব্বী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো পরিবর্তনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে রোগীদের অপেক্ষা করার স্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি চলন্ত সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে। দুর্ঘটনায় দু’শিশু দুর্ঘটনামুক্ত বেঁচে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী হাফসা বেগম জানান, ফ্যানটি দু’শিশুর পাশেই পড়ে গেলে তাদের গায়ে না লাগায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। এ ঘটনায় পাঁচ থেকে ছয়জন রোগী অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু কেউ আহত হননি।
রোগীদের স্বজনরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের দুর্ঘটনায় শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ রোগীরা গুরুতর আহত হতে পারেন। তাঁরা হাসপাতালের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফজলে রাব্বী বলেন, ‘পুরোনো একটি ফ্যান খুলে পড়েছে। এ ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি। সব ফ্যানের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ঝুঁকিপূর্ণগুলো পরিবর্তনের জন্য ইলেকট্রিশিয়ানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
"পুরোনো ফ্যানগুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রোগীরা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফসা বেগম, সৈয়দ ফজলে রাব্বী, রোগীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-৬ জন রোগী, দু’শিশু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!