📌 বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলায় শতবর্ষী এয়াকুব আলী সরদার ও ৯০ বছর বয়সী পাগলি বেগমের কাঁধে পঙ্গু মেয়ে আবেদা খাতুনের ৪৭ বছরের ভার। ৭ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া আবেদাকে বাবা-মা এখনও বিছানাতেই দেখাশোনা করছেন। জরাজীর্ণ ঘর ও অর্থনৈতিক অসহায়তার কারণে পরিবার মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে
বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলায় শতবর্ষী বাবা-মায়ের কাঁধে পঙ্গু মেয়ের ভার ৪৭ বছর ধরে চাপিয়ে দাঁড়িয়েছে জীবনের শেষ প্রান্তে। বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যারবাহনের চেচানের কুল গ্রামের শতবর্ষী এয়াকুব আলী সরদার ও ৯০ বছর বয়সী পাগলি বেগমের জীবন এখন এক করুণ বাস্তবতার মুখোমুখি। তাদের বড় মেয়ে আবেদা খাতুন (৫৪) ৭ বছর বয়সে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় কোমর ভেঙে চিরতরে পঙ্গু হয়ে পড়েন। সেই থেকে তিনি বিছানাতেই বন্দি, এবং বয়সের ভারে দুজন বৃদ্ধ বাবা-মা এখনও তার দেখাশোনা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৭ বছর ধরে বিছানাতেই বন্দি: বাগেরহাটের শতবর্ষী দম্পতির বড় মেয়ে আবেদা খাতুন ৭ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যান এবং এখনও বিছানাতেই বন্দি।
- 📌 ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্যে একমাত্র বড় মেয়ে: পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে আবেদা সবার বড়, কিন্তু বয়সের ভারে বাবা-মা তার দেখাশোনা করতে পারছেন না।
- 📌 জরাজীর্ণ ঘর ও বৃষ্টির আতঙ্ক: বৃষ্টি নামলে ঘর ভেঙে পড়ার আতঙ্কে পরিবার রাত কাটাতে পারছে না।
- 📌 মানবিক সহায়তার আহ্বান: স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান উদয় শংকর বিশ্বাস বলেছেন, সমাজের সচ্ছল মানুষদের সহযোগিতায় পরিবারকে নিরাপদ ঘর ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যারবাহনের চেচানের কুল গ্রামে শতবর্ষী এয়াকুব আলী সরদার ও ৯০ বছর বয়সী পাগলি বেগমের জীবন এখন এক করুণ বাস্তবতার মুখোমুখি। তাদের বড় মেয়ে আবেদা খাতুন (৫৪) ৭ বছর বয়সে ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনায় কোমর ভেঙে চিরতরে পঙ্গু হয়ে পড়েন। সেই থেকে তিনি বিছানাতেই বন্দি, এবং বয়সের ভারে দুজন বৃদ্ধ বাবা-মা এখনও তার দেখাশোনা করছেন।
এই দম্পতির তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে, কিন্তু বড় মেয়ে আবেদা সবার বড়। সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় ৪৭ বছর ধরে তিনি শিশুর মতো দেখাশোনা করছেন। বয়সের ভারে দুজন বৃদ্ধ এখন চরমভাবে নুয়ে পড়েছেন। তাদের বসবাসের পরিবেশ অত্যন্ত মানবিক বিপর্যয়কর। জরাজীর্ণ ঘরটি বৃষ্টির আতঙ্কে ভেসে যায়, চারপাশ স্যাঁতসেঁতে হয়ে ওঠে।
আবেদার বাবা এয়াকুব আলী সরদার জানান, “৩ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্যে আবেদা সবার বড়। সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় ৪৭ বছর ধরে মেয়েকে শিশুর মতো দেখাশোনা করতে হচ্ছে।” মা পাগলি বেগম আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘আমরা তো একদম শেষ বয়সে চইলা আইছি, শরীরে আর ক্ষমতা নাই। ৭ বছর বয়স থেকেই মেয়েটি বিছানায় পড়া আছে। বৃষ্টি নামলে ঘর ভাইসা যায়। আমাগো মরার আগে মেয়েটার থাকার মতো একটা ভালো ঘর আর চিকিৎসার ব্যবস্থা যদি হতো…’
"আমরা তো একদম শেষ বয়সে চইলা আইছি, শরীরে আর ক্ষমতা নাই। ৭ বছর বয়স থেকেই মেয়েটি বিছানায় পড়া আছে। বৃষ্টি নামলে ঘর ভাইসা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাটের মোংলায় উপজেলা, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন, উত্তর বিদ্যারবাহনের চেচানের কুল গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শতবর্ষী এয়াকুব আলী সরদার, ৯০ বছর বয়সী পাগলি বেগম, আবেদা খাতুন (৫৪), উদয় শংকর বিশ্বাস (বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর বয়সে দুর্ঘটনা, ৪৭ বছর ধরে বিছানাতেই বন্দি, ৩ ছেলে ও ৩ মেয়ে, শতবর্ষী বাবা, ৯০ বছর বয়সী মা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!