📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১২ বছর বয়সী ঈশার মৃত্যুতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা-মা দুঃখে দিশাহারা: দুর্ঘটনায় হারানো ছোট মেয়ের জন্য কাঁদছেন পরিবার

১২ বছর বয়সী ঈশার মৃত্যুতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা-মা দুঃখে দিশাহারা: দুর্ঘটনায় হারানো ছোট মেয়ের জন্য কাঁদছেন পরিবার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় একটি দুর্ঘটনায় ১২ বছর বয়সী ঈশা রানী দাশের মৃত্যু হয়। পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা সুনীল কান্তি দাশ ও মা উষা রানী দাশ দুঃখে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তিনি জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারেননি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় একটি দুর্ঘটনায় ১২ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঈশা রানী দাশের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তিনি জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারেননি। এই দুর্ঘটনা পরিবারের পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা সুনীল কান্তি দাশকে আরও বেশি দুঃখে ফেলেছে। সুনীলের স্ত্রী উষা রানী দাশ ও বড় মেয়ে আদিত্যা রানী দাশ দুঃখে কাঁদছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ বছর বয়সী ঈশা রানী দাশ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক থেকে শিঙাড়া কিনতে বের হলে একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়; রাতে মৃত্যু হয় হাসপাতালে
  • 📌 পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা সুনীল কান্তি দাশ (৫২) ওমানে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন; স্ট্রোকের কারণে চলাচল করতে পারছিলেন না
  • 📌 মা উষা রানী দাশ বলেন, “মেয়েটি আমাকে জড়িয়ে ধরত, তার ফেরার অপেক্ষায় ছিলাম; কিন্তু মেয়েটি আর ফিরল না”
  • 📌 দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করেন; দায়ী বাস ভাঙচুর করা হয়
  • 📌 ১৬ বছর বয়সী বড় মেয়ে আদিত্যা রানী দাশ মায়ের কান্না দেখে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন; পরিবার আহাজারি করছে মেয়ের জন্য

📰 বিস্তারিত

দুই মেয়ে যখন সকালে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দিত, তখন বাড়ির বারান্দায় বসে দুজনকে হাত নেড়ে বিদায় জানাতেন পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা সুনীল কান্তি দাশ (৫২)। সুনীলের গত রোববার বিকেলের ঘটনা অন্য দিনের মতো ছিল না। বিদ্যালয় থেকে আর জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারেননি তাঁর ছোট মেয়ে ঈশা রানী দাশ (১২)। বাসের ধাক্কায় আহত হওয়ার পর রাতে একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মেয়ের।

দুর্ঘটনায় মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই শোকে অনেকটা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন সুনীল কান্তি দাশ। দীর্ঘদিন ওমানে প্রবাসজীবন কেটে স্ট্রোকের কারণে দেশে ফিরে এসেছিলেন তিনি। স্ট্রোকের পর তাঁর একটি পা পুরোপুরি অসাড় হয়ে পড়েছে। অন্য পায়েও তেমন শক্তি পান না। ফলে চলাচল করতে না পারায় সারা দিন বাড়ি বসে কিংবা শুয়েই সময় কাটাতে হয় তাঁকে।

সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের মিঠার দোকান এলাকার নাথপাড়ায় সুনীল কান্তি দাশের বাড়ি। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া ঈশা রানী দাশ (১২) বিদ্যালয়ে টিফিনের বিরতিতে মহাসড়ক পেরিয়ে শিঙাড়া কিনতে দোকানে যাচ্ছিলেন। এ সময় চট্টগ্রামমুখী একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঈশাকে নেওয়া হয় নগরের একটি হাসপাতালে। পরে রাতে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ঈশা পড়াশোনা করত ছদাহার কেফায়েত উল্লাহ কবির আহমদ উচ্চবিদ্যালয়ে। তার বড় বোন আদিত্যা রানী দাশও (১৬) একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একসঙ্গে বিদ্যালয়ে যেত দুই বোন, ফিরতও একসঙ্গে। স্থানীয় ঠাকুরদিঘি পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কান্তি দাশ জানান, অসুস্থ হয়ে প্রবাস থেকে দেশে ফেরার পর সুনীল কান্তি দাশের পরিবারে অভাব-অনটন দেখা দেয়। তবু দুই মেয়ের পড়াশোনায় যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেই চেষ্টা করে আসছিলেন সুনীল।

"প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময়, আবার ফিরে এসে, মেয়েটা প্রথমে আমাকে জড়িয়ে ধরত। আমার হাতের বানানো নাশতা খেয়েই স্কুলের জন্য বিদায় নিয়েছিল সে। তার ফেরার অপেক্ষায় ছিলাম। দুপুরে এলাকার একজন ফেসবুকে ঈশার রক্তাক্ত ছবি দিয়ে দুর্ঘটনার কথা লেখেন। খবর পেয়ে আমি ছুটে গেছি। অ্যাম্বুলেন্সে মেয়েকে নিয়ে নগরের হাসপাতালে ছুটে যাই। আশা ছিল, মেয়েটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। আমার মেয়েটি আর ফিরল না।"

ঈশার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাসটিও ভাঙচুর করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা, ছদাহা ইউনিয়ন, মিঠার দোকান এলাকা, নাথপাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুনীল কান্তি দাশ (৫২), ঈশা রানী দাশ (১২), আদিত্যা রানী দাশ (১৬), উষা রানী দাশ, স্বপন কান্তি দাশ, আতিকুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ (বাবার বয়স), ১২ (ঈশার বয়স), ১৬ (আদিত্যার বয়স), ৫০০ (মিটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖