📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও উপজেলায় ঘোষিত ১৪ ঘণ্টার গ্যাস বন্ধতা ২৬ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ২৩ হাজার গ্রাহক ও সিএনজি চালকদের চরম ভোগান্তি হয়। বাখরাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তা জানান, কাজের স্থানে পানি জমে দেরি হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও সদর ও সরাইল উপজেলায় ঘোষিত ১৪ ঘণ্টার গ্যাস বন্ধতা ২৬ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। গত মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ঘোষিত গ্যাস সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা অনুযায়ী রাত ১০টায় গ্যাসের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা বুধবার সকাল ১০টার পরেই আসে। এই দীর্ঘ সময়ের গ্যাসের অভাবে ২৩ হাজার গ্রাহক ও সিএনজি চালকদের জীবন কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘোষিত ১৪ ঘণ্টার গ্যাস বন্ধতা ২৬ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়
- 📌 ২৩ হাজার গ্রাহক ও সিএনজি চালকদের রান্না, বাণিজ্য ও চলাচলের কাজে চরম সমস্যা
- 📌 সরাইল উপজেলার পাঠানপাড়া এলাকার কলেজশিক্ষক ছাকিয়া বেগম বলেন, রাত ১০টায় গ্যাস আসার কথা ছিল, কিন্তু বুধবার সকাল ১০টার পর আসে
- 📌 সিএনজি চালক সাব্বির মিয়া জানান, গ্যাস পাওয়ার আশায় দীর্ঘ লাইন দাঁড়িয়ে থাকলেও গ্যাস পাননি, দুই দিনের আয় শেষ হয়ে যায়
- 📌 বাখরাবাদ গ্যাসের উপমহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল হক জানান, কাজের স্থানে পানি জমে দেরি হয়, যা আগে জানা ছিল না
📰 বিস্তারিত
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয় থেকে গত সোমবার বিকেলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঘোষণা করা হয়েছিল, গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে প্রকৃতপক্ষে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ ছিল টানা ২৬ ঘণ্টা। এই সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর, সদর ও সরাইল উপজেলার ২৩ হাজার গ্রাহক ও সিএনজি চালকদের জীবন কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
সরাইল উপজেলার পাঠানপাড়া এলাকার কলেজশিক্ষক ছাকিয়া বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল রাত ১০টায় গ্যাস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গ্যাস এসেছে আজ বুধবার সকাল ১০টার পর। রাতে গ্যাস এলে রান্নাবান্নার কাজ শেষ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। হোটেলে গিয়েও লোকজনের চাপে নাশতা পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে চিড়া খেয়ে ঘর থেকে বের হয়েছি। দেরিতে গ্যাস আসার কথা আগেই ঘোষণা দিলে ভালো হতো।’
সিএনজি চালক সাব্বির মিয়া বলেন, ‘গ্যাস পাওয়ার আশায় মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে লাইনে দাঁড়াই। গ্যাস না আসাই রাত একটার সময় বাড়িতে গেছি। সকাল ১০টার ফর গ্যাস আসার কথা শুনছি। কিন্তু যে বড় লাইন হচ্ছে, সারা দিনেও গ্যাস নিতে পারলাম না। শুধু গ্যাসের কারণে আমাদের দুই দিনের আয় শেষ হয়ে যায়।’
বাখরাবাদ গ্যাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (আঞ্চলিক প্রধান) মো. শফিকুল হক বলেন, ‘জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য গতকাল রাত ১০টা পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা ছিল। কিন্তু কাজের স্থানে (সদর উপজেলার ঘাটুরা এলাকা) পানি জমে থাকায় কাজ করতে দেরি হয়। সেখানকার খারাপ অবস্থার কথা আমাদের জানা ছিল না। এখন থেকে গ্যাস সরবরাহে কোনো সমস্যা থাকবে না বলে আমি আশা করছি।’
"গতকাল রাত ১০টায় গ্যাস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গ্যাস এসেছে আজ বুধবার সকাল ১০টার পর। রাতে গ্যাস এলে রান্নাবান্নার কাজ শেষ করতে চেয়েছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর, সদর ও সরাইল উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কলেজশিক্ষক ছাকিয়া বেগম, সিএনজি চালক সাব্বির মিয়া, উপমহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ ঘণ্টা (গ্যাস বন্ধ), ২৩ হাজার (গ্রাহক), ১৪ ঘণ্টা (ঘোষিত বন্ধকাল), ৮টা (সকাল), ১০টা (রাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!