📌 পরিবেশ মন্ত্রণালয় বৃক্ষরোপণের সঠিক হিসাব ও বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ চালু করবে। এনজিওগুলোর কার্যক্রমের তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি ১২০টি এনজিওর মধ্যে মাত্র ৮৩টি এনজিওর তথ্য পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এনজিওদের সঠিক ডেটা জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে
পরিবেশ সুরক্ষায় রোপিত বৃক্ষের সঠিক হিসাব ও বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে সরকার একটি আধুনিক ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও বৃক্ষরোপণে মাঠ পর্যায়ের এনজিওগুলোর কার্যক্রমের তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য জোর দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর আয়োজনে ‘এনজিও কর্তৃক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের অগ্রগতি বিষয়ে মতবিনিময় সভায়’ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. মো. সাইমুম পারভেজ এসব তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ চালু করবে বৃক্ষরোপণের সঠিক হিসাব ও বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে
- 📌 ১২০টি এনজিওর মধ্যে মাত্র ৮৩টি এনজিওর তথ্য পাওয়ায় বাকি এনজিওদের সঠিক ডেটা জমা দেওয়ার তাগিদ
- 📌 অ্যাপে নিয়মিত গাছের অবস্থার ছবি আপলোড করতে হবে; বড় এলাকায় আলাদা দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে
- 📌 ফিল্ড লেভেলের মনিটরিং অফিসারদের জিও-কোঅর্ডিনেট ট্র্যাক করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 মন্ত্রণালয় দ্রুত এনজিওদের কাছে উপযুক্ত গাছ রোপণের দিকনির্দেশনা পৌঁছে দেবে
📰 বিস্তারিত
ড. সাইমুম পারভেজ জানান, পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোতে রোপিত গাছের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণে অনেক গাছ মারা যায়। ফলে পরবর্তী বছরগুলোতে একই স্থানে আবার গাছ লাগানো হয়। এই ধরনের অপচয় রোধ করতে এবং প্রকৃত ‘গ্রিন কাভারেজ’ পর্যবেক্ষণ করতে সরকারের উদ্যোগে একটি জাতীয় ট্রি মনিটরিং অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে। সভায় উত্থাপিত তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, আগামী জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ১২০টি এনজিও বৃক্ষরোপণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৮৩টি এনজিওর তথ্য পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাকি এনজিওদের দ্রুত সঠিক ডেটা জমা দেওয়ার জন্য তাগিদ দেন তিনি।
অ্যাপটি চালু হওয়ার আগেই বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে (এনজিও) প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিল্ড লেভেলের মনিটরিং অফিসারদের জিও-কোঅর্ডিনেট ট্র্যাক করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অ্যাপে নিয়মিত নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রতিটি গাছ বা গুচ্ছ গাছের বর্তমান অবস্থার ছবি আপলোড করতে হবে। বড় বনাঞ্চলের মতো এলাকায় ইমেজিংয়ের আলাদা দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।
সভায় এনজিওগুলোর পক্ষ থেকে প্রোটোকল সংক্রান্ত সমস্যা উত্থাপিত হলে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জানান, কোন অঞ্চলে কী ধরনের গাছ রোপণ করা উপযুক্ত সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতকৃত দিকনির্দেশনা দ্রুত সব এনজিওর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, যেকোনো সরাসরি সহায়তার জন্য শীঘ্রই একটি নির্ধারিত ফোন ও ইমেইল হেল্পডেস্ক চালু করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
"বিগত প্রকল্পগুলোতে রোপণ করা গাছ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মারা যাওয়ায় একই স্থানে আবার গাছ লাগানো হয়। এই অপচয় রোধ করতে সরকার ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ চালু করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. সাইমুম পারভেজ (প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০টি এনজিওর প্রতিশ্রুতি, ৮৩টি এনজিওর তথ্য পাওয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!