📌 গাজীপুরের মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেনকে গুমের অভিযোগে সাবেক সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামানসহ পাঁচজন কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি অভিযানকালে আটককৃত আল আমিনকে ১৮ দিন ধরে নির্যাতন করে মৃত্যুর পর তার মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়
১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। গাজীপুরের একটি মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেনকে গুমের অভিযোগে সাবেক কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) প্রধান আসাদুজ্জামানসহ পাঁচজন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই অভিযোগে নির্যাতন, গুম এবং মৃত্যুর ঘটনা আড়াল করার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে সাবেক সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামানসহ পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
- 📌 ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসায় অভিযানকালে আল আমিনকে আটক করে নেওয়া হয়।
- 📌 ৩০ জানুয়ারি সিটিটিসি কর্মকর্তারা আল আমিনকে মিন্টো রোডের কার্যালয়ে নিয়ে যান এবং তাকে ১৮ দিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করা হয়।
- 📌 মৃত্যুর পর তার মরদেহ কেরানীগঞ্জের তুলসীখালী সেতু থেকে ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে সাবেক সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান, সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ এবং পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মিয়া।
📰 বিস্তারিত
তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি সিটিটিসি ইউনিট দেশের বিভিন্ন স্থানে ছয়জনকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় পাওয়া তথ্য অনুসারে, তৎকালীন সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ৩০ জানুয়ারি গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেনকে গুমের অভিযোগে আটককৃত আল আমিনকে সিটিটিসির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আল আমিনকে মিন্টো রোডের সিটিটিসি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে ১৮ দিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করার জন্য তার মরদেহ কেরানীগঞ্জের তুলসীখালী সেতু থেকে ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগে বলা হয়েছে, এই পাঁচজন কর্মকর্তা গুম, নির্যাতন এবং মৃত্যুর ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
"তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল আমিনকে ১৮ দিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং তার মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করার জন্য মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ট্রাইব্যুনাল), গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসা, মিন্টো রোড, ধলেশ্বরী নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান, সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মিয়া, আল আমিন, অধ্যক্ষ আবুল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন অভিযুক্ত, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২৮ জানুয়ারি, ৩০ জানুয়ারি, ১৮ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!