📌 সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে গত দুই দিনে ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহক মোট ৫৮১ কোটি টাকা ফেরত পেয়েছেন। দ্বিতীয় দিনে ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ৩২৭ কোটি টাকা তুলেছেন। পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত এই ব্যাংকটি আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গত দুই দিনে ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহককে মোট ৫৮১ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে। দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ব্যাংক থেকে ৩২৭ কোটি টাকা তুলেছেন। প্রথম দিনে সোমবার ৫ হাজার ৫৩২ জন গ্রাহক ২৫৪ কোটি টাকা ফেরত পেয়েছিলেন। এদিকে ব্যাংকটি আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইন অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রমও শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে গত দুই দিনে ১৩ হাজার ৪২৮ জন গ্রাহক মোট ৫৮১ কোটি টাকা ফেরত পেয়েছেন
- 📌 দ্বিতীয় দিনে ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক ব্যাংক থেকে ৩২৭ কোটি টাকা তুলেছেন
- 📌 প্রথম দিনে ৫ হাজার ৫৩২ জন গ্রাহক ২৫৪ কোটি টাকা ফেরত পেয়েছিলেন
- 📌 সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের একীভূত হয়ে
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে আমানত ফেরত দেওয়ার জন্য
📰 বিস্তারিত
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গতকাল থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছে। আমানত ফেরত চেয়ে যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের দুই দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটি আমানত ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইন অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রমও শুরু করেছে। ফলে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে কিছুটা গতিসঞ্চার হয়েছে।
শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গতকাল থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছে। এতে ৭৪ হাজার আমানতকারী ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলেন। এসব আমানতকারীদের মধ্যে ১-৬ সেপ্টেম্বর আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ৭৬১টি।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে এই ব্যাংকটি গঠিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার সংকটাপন্ন পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করেছিল। এই পাঁচটি ব্যাংকের মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক ছিল চট্টগ্রামের বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম বা এস আলমের নিয়ন্ত্রণে। আর এক্সিম ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের হাতে।
"কোনো গ্রাহক যেন খালি হাতে ফেরত না যান, সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে ব্যাংকটিকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারা দেশে ৭৬১টি শাখা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমানতকারী, গ্রাহক, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮১ কোটি টাকা (মোট ফেরত), ৭ হাজার ৮৯৬ জন (দ্বিতীয় দিনের গ্রাহক), ৩২৭ কোটি টাকা (দ্বিতীয় দিনের টাকা), ৭৬১টি শাখা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!