📌 চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ইনস্টিটিউট অব প্লাজমা ফিজিকস তৈরি ৫৮২ টন ফিউশন চুম্বক — নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় পরিচ্ছন্ন শক্তি উৎপাদন, ২০৩০ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্য, তিন ধাপের রোডম্যাপ।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ৫৮২ টন ওজনের একটি বিশাল ফিউশন চুম্বকের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে চীন — এর ফলে একটি 'কৃত্রিম সূর্য' তৈরির লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশটি। চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আওতাধীন ইনস্টিটিউট অব প্লাজমা ফিজিকসের তৈরি এ ফিউশন চুম্বক নিউক্লিয়ার ফিউশন বা পরমাণু সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও বিপুল শক্তি উৎপাদনের একটি প্রধান উপাদান — ২০৩০ সালের মধ্যে ফিউশন শক্তি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এক উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য রয়েছে বেইজিংয়ের।
🔴 মূল পয়েন্ত
- চুম্বক: ৫৮২ টন ওজন — বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিউশন চুম্বক; চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ইনস্টিটিউট অব প্লাজমা ফিজিকস তৈরি।
- উদ্দেশ্য: নিউক্লিয়ার ফিউশন (পরমাণু সংযোজন) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও বিপুল শক্তি উৎপাদন — সূর্যের শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া পৃথিবীতে পুনরাবৃত্তি।
- লক্ষ্যমাত্রা: ২০৩০ সালের মধ্যে ফিউশন শক্তি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন — বেইজিংয়ের উচ্চাভিলাষী রোডম্যাপ।
- তিন ধাপের রোডম্যাপ: বাণিজ্যিক ফিউশন শক্তি ব্যবহারের জন্য তিন ধাপের রূপরেখা ঘোষণা করেছে চীন।
চীনের বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করে আসছেন — এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সূর্যের শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে পৃথিবীতে পুনরাবৃত্তি করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আওতাধীন ইনস্টিটিউট অব প্লাজমা ফিজিকস তৈরি এই ৫৮২ টন ওজনের ফিউশন চুম্বকটি নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপ তৈরি করতে সক্ষম। বাণিজ্যিকভাবে ফিউশন শক্তি ব্যবহারের জন্য তিন ধাপের রোডম্যাপ বা রূপরেখা ঘোষণা করেছে চীন — ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে বেইজিং এগিয়ে যাচ্ছে।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!