📌 যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় অবস্থিত ২০০ বছরের প্রাচীন কটনউড গাছ কাটার বিরুদ্ধে স্থানীয় বিক্ষোভকারীরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সরকারের দাবি, সেখানে ৩০ ফুট উঁচু সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছটি কাটা হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট শহর লোকিয়েলে একটি ২০০ বছরের প্রাচীন কটনউড গাছ কাটার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সরকারের দাবি, সেখানে ৩০ ফুট উঁচু সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছটি কাটা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাছটির বয়স স্থানীয়দের ধারণা অনুযায়ী ২০০ বছরের বেশি।
- 📌 সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাছটি কেটে সেখানে নির্মাণ করা হবে ৩০ ফুট উঁচু সীমানাপ্রাচীর।
- 📌 গত ২৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে কয়েক ডজন মানুষ অংশগ্রহণ করছেন।
- 📌 বিক্ষোভকারীরা গাছটিকে স্থানীয় ঐতিহ্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
📰 বিস্তারিত
গাছটির নাম কটনউড। স্থানীয় লোকজনের ধারণা অনুযায়ী, গাছটির বয়স ২০০ বছরের বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট শহর লোকিয়েলে ঘটেছে এই ঘটনা। সেখানেই নির্মাণ করা হবে ৩০ ফুট উঁচু সীমানাপ্রাচীর। সরকারের দাবি, এই প্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছটি কাটা হচ্ছে।
গত বছর থেকেই প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। গত ২৭ জুলাই নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেখানে থাকা আরও তিনটি বিশাল কটনউড গাছ কেটে ফেলে। এর পর থেকেই শুরু হয় বিক্ষোভ। যে গাছটি ঘিরে বিক্ষোভ চলছে, সেটিই সেখানে সর্বশেষ বড় কটনউড গাছ।
এখন কয়েক ডজন মানুষ গাছটি ঘিরে তাঁবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন। আর একজন করে বিক্ষোভকারী সব সময় গাছটিতে উঠে ব্যানার টাঙিয়ে থাকছেন। বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন পরিবেশবাদীরাও। তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কাছে এই গাছ রক্ষার দাবিও জানাচ্ছেন।
"কটনউড স্থানীয় পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সৌন্দর্যের একটি প্রতীকও। এই গাছ হত্যার মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট শহর লোকিয়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্ষোভকারী, ম্যাড্রিয়ান আর্কিপেলাগো ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা কেট স্কট, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বছর, ৩০ ফুট, ২৭ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!