📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করতে দুই নির্বাহী

জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করতে দুই নির্বাহী

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ 🔗 Jugantor ↗ ✓ বহু-সোর্স যাচাইকৃত
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে দুই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এতে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্বের আওতা সংকুচিত করতে দুইটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্যে একটি আদেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার লক্ষ্যে এবং অপরটি ‘বার্থ ট্যুরিজম’ প্রতিরোধে জারি করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দুইটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।
  • 📌 প্রথম আদেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না।
  • 📌 দ্বিতীয় আদেশে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বা বিদেশি পর্যটকদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব লাভের প্রবণতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত পূর্ববর্তী একই ধরনের আদেশকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল।
  • 📌 প্রতি বছর প্রায় ২২ হাজার থেকে ২৬ হাজার শিশুর জন্ম হয় ‘বার্থ ট্যুরিজম’ প্রক্রিয়ায়।
  • 📌 ২০২৪ সালে বিদেশি ঠিকানাসম্পন্ন মায়েদের কাছ থেকে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ হাজার।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্বের সুযোগ সীমিত করতে দুইটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। প্রথম আদেশটি জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের আওতা সংকুচিত করার লক্ষ্যে এবং দ্বিতীয় আদেশটি ‘বার্থ ট্যুরিজম’ প্রতিরোধে জারি করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না।

প্রথম আদেশে বলা হয়েছে, যদি শিশুর বাবা-মা দুজনই অ-নাগরিক হন এবং তাদের একজন বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য, বিদেশি সরকারের কর্মকর্তা অথবা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনের চেষ্টা করেছেন, তাহলে ওই শিশু জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে না। একই সঙ্গে, এমন মার্কিন ভূখণ্ডে বসবাসকারী অভিভাবকের সন্তানও নাগরিকত্ব পাবে না যেখানে ফেডারেল আইনে নাগরিকত্বের স্বীকৃতি নেই।

হোয়াইট হাউসে আদেশে স্বাক্ষর করার সময় ট্রাম্প বলেন, এই পরিবর্তন অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের সমালোচনা করে বলেন, আদালত জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বহাল রাখার রায় দিয়েছে।

দ্বিতীয় আদেশে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অনেক বিদেশি পর্যটক যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে সেই সন্তানকে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করান। হোয়াইট হাউসের উপপ্রধান ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি–বিষয়ক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার বলেন, এই প্রক্রিয়ায় জন্ম নেওয়া শিশুরা পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত বিভিন্ন অধিকার ও সুবিধা ভোগ করতে পারে।

"বিদ্যমান অভিবাসন আইনের অধীনেই প্রেসিডেন্টের এমন ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিফেন মিলার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি বছর ২২ হাজার থেকে ২৬ হাজার শিশু, ২০২৪ সালে ৯ হাজার শিশু
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 100%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖