📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
🕌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (JAMAAT) সকল সংবাদ →

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অবদান স্মরণ করলেন জামায়াত নেতারা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অবদান স্মরণ করলেন জামায়াত নেতারা

📷 ছবি: সোর্স: Bangladesh Jamaat-e-Islami Facebook

ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর সরকারি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল পোস্টের লিংক ও তারিখ নিচে "সোর্স:" ব্লকে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর (রহ.) মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর অবদান স্মরণ করেছেন। তাঁর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.)-এর অবদান স্মরণ করেছেন। দলটির বর্তমান নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে গেলেও মানুষের হৃদয়ে তাঁরা অনাদিকাল ধরে বেঁচে থাকেন। 🙏 আল্লাহ তাআলা বলেন, "তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩)। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আল্লামা সাঈদী মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছেন। শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ময়দান পর্যন্ত তাঁর বিচরণ ছিল সমান তালে। শীতের রাতে খোলা মাঠে লাখো মানুষ তাঁর কণ্ঠে কুরআনের তাফসির শুনেছে। বহু মানুষের ধর্মীয় জীবনের মোড় ঘুরে গেছে তাঁর আলোচনায়। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" (সহিহ বুখারি)। আল্লামা সাঈদীর জীবনের বড় অংশ কেটেছে কুরআন শিক্ষা ও প্রসারের কাজে। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ওয়াজের ময়দান হয়ে উঠেছিল অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার পাঠশালা। মানুষের ভালোবাসা তাঁকে তাফসিরের ময়দান থেকে জাতীয় সংসদে নিয়ে যায়। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ, আলিয়া ও ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দাবি নিয়ে কথা বলেছেন। সংসদে স্পিকারের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে ঢোকার শিরকি রীতি তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়েছিল। তাঁর রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও তাঁর বিপুল অনুসারী ও জনসমর্থন অস্বীকার করার উপায় নেই। যুগে যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ওপর জুলুম নেমে এসেছে। আল্লামা সাঈদীর ওপরও নেমে এসেছিল নির্মম জুলুম-নির্যাতন। তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে যাঁকে হাজির করা হয়েছিল, সেই সুখরঞ্জন বালি তাঁর পক্ষেই সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন। সেই সাক্ষ্যের কারণেই ফ্যাসিস্টরা তাঁকে গুম করেছিল। আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন দেশজুড়ে মানুষ নেমে এসেছিল রাজপথে। প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালোবাসা আর তাঁর ওপর জুলুমের প্রতিবাদে অগণিত মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। সেই প্রতিবাদে শহীদ হন দেড় শতাধিক মানুষ। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায়নি আল্লামা সাঈদীর প্রতি সেই অকৃত্রিম ভালোবাসা। একদিন বাংলাদেশে আল্লামা সাঈদীর রায়-পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে দলটি বিশ্বাস করে। কারাগারের দেয়াল একজন মানুষের শরীরকে আটকে রাখতে পারে, কিন্তু মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারে না। বছরের পর বছর কারাবন্দি থাকলেও তাঁর কণ্ঠে ধারণ করা তাফসিরের রেকর্ডিং শুনে মানুষ কেঁদেছে, তাঁর জন্য দোয়া করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর পরিচয় থেকে গেছে কুরআনের একজন আলোচক ও দাঈ হিসেবে। আল্লাহ তাআলা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.)-এর ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, তাঁর নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন।
📌 সোর্স
📌 সোর্স: Bangladesh Jamaat-e-Islami Facebook
📅 পোস্টের তারিখ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
📊 সোশ্যাল মেট্রিক্স: · 💬 মন্তব্য: ২০৭
ℹ️ উপরের কন্টেন্ট মূল ফেসবুক পোস্টের বাংলা রূপান্তর। মূল পোস্টের সাথে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি — শুধু সংবাদ ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে।
📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖