📌 ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অডিট আপত্তি শূন্যে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন। কর্মশালায় তিনি বলেছেন, পুরোনো আপত্তি ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন আপত্তি আসা থেকে রোধ করতে হবে
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অডিট আপত্তি শূন্যে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে অডিট আপত্তির সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অডিট আপত্তি শূন্যে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছাতে চাই’
- 📌 পুরোনো অডিট আপত্তি ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন কোনো আপত্তি আসা থেকে রোধ করতে হবে
- 📌 সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত (পিপিআর) ও আর্থিক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করা অডিট আপত্তির প্রধান কারণ
- 📌 কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিপিআর সম্পর্কে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে
- 📌 ৩০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশ নেন
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বুধবার অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বলেন, অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অডিট আপত্তির সংখ্যা বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ বছর বৃদ্ধির হার গত বছরের চেয়ে বেশি। তিনি বলেন, ‘আমাদের এ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছাতে চাই’। তিনি আরও বলেন, পুরোনো অডিট আপত্তি এক দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। পুরোনো আপত্তিগুলো ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন কোনো আপত্তি আসা থেকে রোধ করতে হবে।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, অডিট আপত্তির বড় একটি কারণ হলো সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত (পিপিআর) ও আর্থিক বিধিমালাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ না করা। তিনি বলেন, ক্রয়কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিপিআর সম্পর্কে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে ইউজিসি সহযোগিতা করবে। তিনি আরও বলেন, আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়মও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় সংজ্ঞাগতভাবে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তার প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক স্বাধীনতা থাকা উচিত। তবে বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত একাডেমিক স্বাধীনতা ভোগ করে; প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা পুরোপুরি ভোগ করতে পারে না।
"আমাদের এ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছাতে চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা অংশ নেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!