📌 বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরীক্ষা আপত্তি শূন্যে নামানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৩১ কোটি টাকার অনিয়মের প্রতিবেদন প্রকাশের পর তিনি নতুন কোনো আপত্তি না আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সতর্ক করেছেন
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরীক্ষা আপত্তি শূন্যে নামানোর লক্ষ্যে সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৩১ কোটি টাকার অনিয়মের প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে নতুন কোনো আপত্তি না আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩২টি ক্ষেত্রে অনিয়ম**: সিএজি শিক্ষা অডিটের প্রতিবেদনে ২ হাজার ৩১ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার ৩০ টাকার আর্থিক ক্ষতি পাওয়া গেছে
- 📌 **শূন্য-অডিট আপত্তি লক্ষ্য**: ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, পুরোনো আপত্তি ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন কোনো আপত্তি আসতে দেবেন না
- 📌 **পিপিআর ও আর্থিক বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণ**: ক্রয়কাজে সরকারি বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করা অনিয়মের প্রধান কারণ
- 📌 **৬০টি অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টি কার্যকর**: কর্মশালায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 **আই প্রশিক্ষণে জোর**: কর্মশালায় বলা হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের এআই প্রশিক্ষণ না দেওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে ঝুঁকিতে ফেলবে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি অডিটোরিয়ামে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ড. মামুন আহমেদ বলেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রতিবছর নিরীক্ষা আপত্তির সংখ্যা বাড়ছে। তিনি বলেন, “আমাদের এই মুহূর্তের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছাতে চাই।”
১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, সিএজির শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষায় ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩২টি ক্ষেত্রে অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে। এসব অনিয়মে মোট আর্থিক ক্ষতি ২ হাজার ৩১ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার ৩০ টাকা। চেয়ারম্যান বলেন, “পুরোনো আপত্তিগুলো ধীরে ধীরে কমাতে হবে এবং নতুন কোনো আপত্তি যাতে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
অনিয়মের প্রধান কারণ হিসেবে তিনি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা (পিপিআর) ও আর্থিক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ক্রয়কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিপিআর বিষয়ে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে ইউজিসি সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়মও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, “দেশে ৬০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত হয়েছে, এর মধ্যে ৫৭টি কার্যক্রম চলমান। কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে।”
"আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা মেধায় কোনো অংশে কম নয়। আমাদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আমরা যদি এআই প্রশিক্ষিত না করতে পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে। নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই গড়তে হবে..."
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান), অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন (ইউজিসি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৩২টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, ২ হাজার ৩১ কোটি টাকা ক্ষতি, ৬০টি অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!