📌 অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স তার ত্বকচর্চার গোপন কৌশল ও জীবনশৈলী সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন। বয়স ৩৬ে তিনি কীভাবে স্বাভাবিক সুন্দরতা বজায় রাখেন এবং কীভাবে মেলাজমা থেকে রক্ষা পান, তা জানুন
হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স তার ব্যক্তিগত ত্বকচর্চা ও স্বাস্থ্য রুটিন সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন। অস্কারজয়ী এই তারকা বয়স ৩৬ অতিক্রম করার পরেও কীভাবে নিজের স্বাভাবিক সুন্দরতা বজায় রাখছেন, তা নিয়ে বিউটি ও ওয়েলনেস সাংবাদিকের সাথে আড্ডায় মাতেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যোগব্যায়াম বেছে নিয়েছেন শরীরচর্চার নতুন রুটিন — "ট্রেইনার থাকলে শুধু কথা বলেই সময় কাটিয়ে দিই"
- 📌 রেটিনল স্যান্ডউইচ কৌশল ব্যবহার করে ত্বকের লালচে ভাব ও জ্বালাপোড়া কমাচ্ছেন
- 📌 মেলাজমা থেকে রক্ষা পেতে বাইরে বের হলে মুখের দুপাশে স্কার্ফ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন
- 📌 শিশুদের ডায়াপার ক্রিম মুখে মেখে ঘুমানোর মজার ঘরোয়া টোটকা স্বীকার করেছেন
- 📌 বিমানে ভ্রমণের সময় কখনোই ওয়াই-ফাই কানেক্ট করেন না — "মেঘের ওপর নিঃশব্দে সময় কাটানো জীবনের সেরা মি-টাইম"
📰 বিস্তারিত
মার্টিন স্কোরসেসির নতুন থ্রিলার ‘হোয়াট হ্যাপেনস অ্যাট নাইট’-এর শুটিং শেষ করার পরও জেনিফার লরেন্স কাজের চাপের দিনে ওয়ার্কআউট না করলেও শুটিং বিরতিতে শরীরচর্চায় মনোযোগ দেন। তিনি ব্যক্তিগত ট্রেইনারকে বাদ দিয়ে ইদানীং যোগব্যায়ামকে নতুন রুটিন হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তার কথায়, “ট্রেইনার থাকলে আমি শুধু কথা বলেই সময় কাটিয়ে দিই, ব্যায়াম আর করি না! তাই যোগব্যায়ামের বাঁধাধরা নিয়মটাই আমার জন্য সেরা।”
৩৬ বছর বয়সে অভিনয়ে মুখের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি বজায় রাখা জেনিফার লরেন্সের জন্য জরুরি। তাই তিনি অতিরিক্ত প্লাস্টিক সার্জন বা ফেসলিফটের চেয়ে ত্বক স্বাভাবিকভাবে সতেজ রাখতে বিশ্বাসী। সামান্য বেবি বোটক্স নিলেও ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে তিনি রেটিনলের ওপর ভরসা করেন। রেটিনল ব্যবহারের ফলে ত্বকে যে লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়া হয়, তা কমাতে তিনি বন্ধুদের কাছ থেকে শেখা রেটিনল স্যান্ডউইচ কৌশল ব্যবহার করেন। এই কৌশল হলো, প্রথমে ত্বকে ময়শ্চারাইজার বা নাইট ক্রিম লাগানো, তার ওপর হালকা রেটিনল প্রয়োগ করা, এবং শেষে সামান্য পানির ঝাপটা দিয়ে এসেনশিয়াল অয়েলের প্রলেপ দেওয়া যাতে ভেতরের আর্দ্রতা আটকে থাকে।
জেনিফার লরেন্সের ত্বকের অন্যতম সমস্যা হলো মেলাজমা বা মেছতার দাগ। সূর্যের তাপ বা হট ইয়োগার তীব্র তাপমাত্রায় এটি বেড়ে যায়। তাই বাইরে বের হলে তিনি রোদের প্রকোপ থেকে বাঁচতে গাড়িতে বা রাস্তায় মুখের দুপাশে স্কার্ফ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন। তিনি রসিকতা করে বলেন, “ছবি তুলে অনেকে ভাবেন, আমি বুঝি নতুন কোনো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট করছি! আসলে আমি মেছতার হাত থেকে চামড়া বাঁচানোর যুদ্ধ করছি!”
স্পা সেশনে তিনি লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ ম্যাসাজ বা রেডিওফ্রিকোয়েন্সি পছন্দ করেন, কিন্তু পারলারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ম্যানিকিউর বা পেডিকিউর করা কিংবা চুলে রং করানো চরম বোরিং মনে করেন। সন্তান হওয়ার পর তিনি কাজের ফাঁকে ও শুটিংয়ের ধকল সামলে নিজের জন্য কিছুটা নির্ঝঞ্ঝাট সময় বের করাটাই তাঁর আসল রিফ্রেশমেন্ট। বিশেষ করে বিমানে ভ্রমণের সময় তিনি কখনোই ওয়াই-ফাই কানেক্ট করেন না। ডিজিটাল দুনিয়ার সব নেটওয়ার্ক ও নোটিফিকেশনের বাইরে এক গ্লাস হোয়াইট ওয়াইন হাতে মেঘের ওপর নিঃশব্দে নিজের মতো সময় কাটানোকেই তিনি জীবনের সেরা ‘মি-টাইম’ মনে করেন।
"ট্রেইনার থাকলে আমি শুধু কথা বলেই সময় কাটিয়ে দিই, ব্যায়াম আর করি না! তাই যোগব্যায়ামের বাঁধাধরা নিয়মটাই আমার জন্য সেরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভেনিস (স্পা সেন্টার), নিউইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনিফার লরেন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ (বয়স অতিক্রম), ৩৬ (বছর), ২৬ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!