📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে যাত্রীসেবা ও গ্রাউন্ড অপারেশন আধুনিকায়ন: ২১টি নতুন বিমান সংযোজন ও ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে যাত্রীসেবা ও গ্রাউন্ড অপারেশন আধুনিকায়ন: ২১টি নতুন বিমান সংযোজন ও ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে যাত্রীসেবা ও গ্রাউন্ড অপারেশনের মানোন্নয়ন করছে। ২১টি নতুন বিমান সংযোজন, ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত এবং ১৪৬টি নতুন গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্টের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার জন্য হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেলের পরিকল্পনা করা হয়েছে

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা ও গ্রাউন্ড অপারেশনের মানোন্নয়নে বড় বিনিয়োগ শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠার এক যুগ পূর্তি উদযাপনকালে এয়ারলাইন্সটি ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। এয়ারলাইন্সটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ, এবং ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের বিমান সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে যাত্রীসেবা ও গ্রাউন্ড অপারেশনের আধুনিকায়ন করছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে ১২ মিলিয়ন ডলার এলসি খোলা হয়েছে
  • 📌 ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২১টি নতুন বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের বিমান সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে, বর্তমানে বহরে রয়েছে ২৫টি বিমান
  • 📌 বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে আরও প্রায় ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করার পরিকল্পনা
  • 📌 বর্তমানে ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট, আগামী ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে আরও ১৪৬টি নতুন সরঞ্জাম যুক্ত করা হবে
  • 📌 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার পরিকল্পনা, যা পরিবেশবান্ধব এভিয়েশন ব্যবস্থার বিকাশে সহায়তা করবে

📰 বিস্তারিত

মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠার এক যুগ পূর্তি উদযাপনকালে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘উড়োজাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্টের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট। আগামী ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে আরও ১৪৬টি নতুন সরঞ্জাম যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে এয়ারক্রাফট পুশব্যাক ট্রাক্টর ও টোবার, ব্যাগেজ বেল্ট লোডার, ব্যাগেজ ট্রাক্টর, প্যাসেঞ্জার বোর্ডিং স্টেয়ারস, গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট, এয়ার স্টার্ট ইউনিট, কেটারিং ট্রাক, ওয়াটার ও ল্যাভাটরি সার্ভিস ট্রাকসহ বিভিন্ন র্যাম্প সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট।’

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে আঞ্চলিক হাব গড়ে তোলার অংশ হিসেবে গ্রাউন্ড সাপোর্ট সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশবান্ধব এভিয়েশন ব্যবস্থার বিকাশে সরকারের ইলেকট্রিক ভেহিকেল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট পলিসির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, ‘সারাবিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দর যেমন নিউ ইয়র্কের জেএফকে, লস এঞ্জেলেস, মায়ামি, লন্ডন হিথ্রো, টোকিও নারিতা, সিঙ্গাপুর, দোহা হামাদ, বেইজিং ক্যাপিটাল, সিডনি, ব্রিসবেন, সানটিয়াগো, নাইরোবি ইত্যাদিতে ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হলে বিমানবন্দরের বিভিন্ন গ্রাউন্ড অপারেশনে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি নির্ভরতা ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গ্রাউন্ড অপারেশন গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

মহাব্যবস্থাপক আরও বলেন, ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বিমানবন্দর আধুনিকায়ন, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আমরা কাজ করছি।’

"প্রতিষ্ঠার এক যুগ অতিক্রম করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এখন আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এয়ারলাইন্সটির বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২১টি বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে আরও প্রায় ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর), চট্টগ্রাম, সিলেট, সিঙ্গাপুর, লন্ডন, বেইজিং, টোকিও
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কামরুল ইসলাম (ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বিনিয়োগ), ২১টি নতুন বিমান, ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য, ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট, ১৪৬টি নতুন সরঞ্জাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖