📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টরন্টো থেকে বিশ্বের প্রযুক্তি কেন্দ্রে রূপান্তর: কানাডার এআই বিপ্লবের গল্প

টরন্টো থেকে বিশ্বের প্রযুক্তি কেন্দ্রে রূপান্তর: কানাডার এআই বিপ্লবের গল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কানাডার টরন্টো বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রযুক্তি কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। জেফরি হিন্টনের নেতৃত্বে এআই গবেষণা থেকে শুরু করে এখন এখানে ৭ বিলিয়ন ডলারের এআই প্রতিষ্ঠান কোহিয়ারের মতো জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি ও বাণিজ্য যুদ্ধের পটভূমিতে কানাডা এআইতে স্বাধীনতা পেয়েছে

কানাডার টরন্টো বিশ্বের প্রযুক্তি মানচিত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির মতোই এখন টরন্টোও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে একজন বিজ্ঞানীর জেদ এবং কানাডার উন্মুক্ত অভিবাসন নীতি। চার দশক আগে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছোট্ট কামরায় শুরু হয়েছিল জেফরি হিন্টনের মেশিন লার্নিং গবেষণা। সেই সময় সহকর্মীরা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন যে একজন বিজ্ঞানী অনিশ্চিত বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে সম্ভাবনার বড় সুযোগ হাতছাড়া করছেন। কিন্তু হিন্টন অনিশ্চয়তাকেই বেছে নিয়েছিলেন। তার এই জেদই আজ বিশ্বের প্রযুক্তির মানচিত্র বদলে দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৭ বিলিয়ন ডলার প্রতিষ্ঠান কোহিয়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিক ফ্রস্ট** টরন্টো ছাড়েননি, বরং সিলিকন ভ্যালির সুযোগ ত্যাগ করে এআই গবেষণায় অবদান রাখছেন।
  • 📌 **৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সানোফি** টরন্টোর এআই সেন্টার গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রযুক্তি কেন্দ্রে রূপান্তর করেছে টরন্টোকে।
  • 📌 **২ বিলিয়ন ডলারের এআই কৌশল ঘোষণা** করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মুখাপেক্ষী না হয়ে স্বাধীন প্রযুক্তি বিকাশের লক্ষ্যে।
  • 📌 **৯০ মিনিটের ফ্লাইটে ২০০ মিলিয়ন মানুষের বাজার** পৌঁছানোর সুবিধা নিয়ে টরন্টো বিশ্বের টেক জায়ান্টদের আকর্ষণ করেছে।
  • 📌 **১৪০ বিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল খাত** এখন কানাডার জিডিপিতে অবদান রাখছে, যেখানে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

১৯৮০-এর দশকে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে মেশিন লার্নিং গবেষণা শুরু করেছিলেন জেফরি হিন্টন। সেই সময় অনেকেই তাকে বোকা মনে করতেন। কিন্তু তার এই গবেষণা আজ বিশ্বের প্রযুক্তির ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হিন্টনের ছাত্র নিক ফ্রস্টও তার পথ অনুসরণ করেছেন। তিনি দিনের বেলায় কম্পিউটার কোডিং করেন, রাতে গিটার বাজিয়ে ইন্ডিপেনডেন্ট রক ব্যান্ড ‘গুড কিড’-এ অংশ নেন। সিলিকন ভ্যালিতে সুযোগ থাকলেও ফ্রস্ট টরন্টোতে থেকে গিয়েছিলেন। তার এই সিদ্ধান্তই আজ কোহিয়ার প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাকে ৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠানের মালিক করে তুলেছে।

টরন্টো শুধু গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ নয়। শহরের রাজপথেও প্রযুক্তির ছাপ পড়েছে। গুগল, এনভিডিয়া, মেটা এবং মাইক্রোসফটের মতো টেক জায়ান্টরা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে গবেষণাগার গড়ে তুলেছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে টরন্টোর এআই সেন্টারে। এছাড়া বাণিজ্যিক রিয়েল এস্টেট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিবিআরই-এর হিসাব অনুযায়ী, টরন্টো নিউইয়র্ককে পেছনে ফেলে বিশ্বের তিন নম্বর প্রযুক্তি কেন্দ্রে উন্নীত হয়েছে।

কানাডার এই উত্থানের পেছনে রয়েছে একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন কঠিন হয়ে পড়লে অনেক মেধাবী প্রকৌশলী যুক্তরাষ্ট্রে টিকে থাকতে পারছিলেন না। সেই সময় কানাডার উন্মুক্ত অভিবাসন নীতি তাদের কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম রেডিক্যাল ভেঞ্চারস-এর জর্ডান জ্যাকবস বলেছেন, ‘টরন্টো থেকে মাত্র ৯০ মিনিটের ফ্লাইটে আপনি ২০০ মিলিয়ন মানুষের বাজারে পৌঁছাতে পারেন।’ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্র হয়ে ওঠার সময় কানাডা এআইতে স্বাধীনতা পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা করেছেন ২ বিলিয়ন ডলারের বাজেটের একজাতীয় এআই কৌশল। জেফরি হিন্টন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা কানাডার পক্ষে আর সম্ভব নয়। এআই যদি মানুষের চাকরি নেয়, সেই প্রযুক্তির লভ্যাংশ যেন কানাডাতেই থাকে।’

টরন্টোর আবহাওয়া সিলিকন ভ্যালির মতো অন্ধ আনুগত্যে বিশ্বাসী নয়। এখানে শিক্ষক আর ছাত্রের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। জেফরি হিন্টন এবং নিক ফ্রস্টের মতো দুজনের মধ্যে দাবা খেলার সময় আলোচনা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে। তারা মতের অমিল থাকলেও তা তাদের বন্ধুত্বকে প্রভাবিত করে না। বর্তমানে কানাডার ডিজিটাল খাত দেশটির জিডিপিতে ১৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অবদান রাখছে। ওয়াবি-এর প্রতিষ্ঠাতা রাকেল উরতাসুন সায়েন্স আর টেকনোলজির সমন্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ট্রাকের ব্যবসায় টরন্টোতে ১ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড সংগ্রহ করেছেন।

"যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা কানাডার পক্ষে আর সম্ভব নয়। এআই যদি মানুষের চাকরিও নেয়, সেই প্রযুক্তির লভ্যাংশ যেন কানাডাতেই থাকে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টরন্টো, কানাডা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেফরি হিন্টন, নিক ফ্রস্ট, মার্ক কার্নি, ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বিলিয়ন ডলার (কোহিয়ার), ৩০০ মিলিয়ন ডলার (সানোফি), ৯০ মিনিট (ফ্লাইট সময়), ২০০ মিলিয়ন (বাজার আকার), ২ বিলিয়ন ডলার (এআই কৌশল), ১৪০ বিলিয়ন ডলার (ডিজিটাল খাত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖