📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক ঘটনা: কম্পিউটার বাগের সত্যি সত্যি ছিল মরা পোকা!

১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক ঘটনা: কম্পিউটার বাগের সত্যি সত্যি ছিল মরা পোকা!

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৪৭ সালের ৯ অক্টোবর হার্ভার্ড মার্ক ২ কম্পিউটারের কাজ থেমে যায় মরা পোকার কারণে। বিজ্ঞানীরা চিমটা দিয়ে পোকাটি বের করে নেন এবং এই ঘটনাকে 'বাগ' শব্দের উৎপত্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনা এখনও সংরক্ষিত রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামে

১৯৪৭ সালের ৯ অক্টোবর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড মার্ক ২ কম্পিউটারের অচল হয়ে যাওয়া ঘটনাটি ছিল কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। এই অচলতার পেছনে ছিল মাত্র একটি মরা পোকা, যা রিলে সিস্টেমে আটকে গিয়ে পুরো কম্পিউটারকে বন্ধ করে দিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা কোনো কোড লিখে সমস্যা সমাধান করতে পারেননি — শুধুমাত্র একটি চিমটা দিয়ে মরা পোকাটি বের করে নেওয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৪৭ সালের ৯ অক্টোবর হার্ভার্ড মার্ক ২ কম্পিউটারে মরা পোকা পাওয়ার কারণে সিস্টেম অচল হয়ে যায়
  • 📌 রিলে নম্বর ৭০-এর মধ্যে আটকে পড়া পোকাটি বের করার জন্য চিমটা ব্যবহার করা হয়
  • 📌 ঘটনাটি লগবুকের ৯২ নম্বর পাতায় সেলোটেপ দিয়ে সংরক্ষিত করা হয়
  • 📌 গ্রেস হপার এই ঘটনাকে প্রচার করে 'বাগ' ও 'ডিবাগিং' শব্দের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেন
  • 📌 ঐতিহাসিক পোকাসহ লগবুক এখনও সংরক্ষিত রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামে

📰 বিস্তারিত

১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড মার্ক ২ কম্পিউটারে। সার্ভিসিং চলাকালীন হঠাৎ পুরো সিস্টেম অচল হয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা কারণ খুঁজতে লাগলেন এবং অবশেষে রিলে নম্বর ৭০-এর মধ্যে একটি মরা পোকা পেয়েছিলেন। এই পোকাটি রিলের দুটি কন্টাক্টের মাঝে আটকে পড়ায় কম্পিউটার কাজ করতে পারছিল না। অপারেটর উইলিয়াম বিল বার্ক এবং ফ্রান্সিস বিলি স্পেন্সসহ দলের সদস্যরা চিমটা দিয়ে পোকাটি বের করে নেন। এই ঘটনাটি স্মরণীয় করার জন্য তারা লগবুকের ৯২ নম্বর পাতায় সেলোটেপ দিয়ে পোকাটিকে আটকে দেন এবং পাশে লিখেন ‘ফার্স্ট অ্যাকচুয়াল কেস অব বাগ বিং ফাউন্ড’।

গ্রেস হপার এই ঘটনাটিকে প্রচার করে কম্পিউটার বিজ্ঞানে ‘বাগ’ ও ‘ডিবাগিং’ শব্দের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেন। এই ঘটনাটি এখনও কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। ঐতিহাসিক পোকাসহ লগবুকের পাতাটি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রিতে।

এই ঘটনার পর থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে ‘বাগ’ শব্দটি ব্যবহৃত হতে থাকে। ১৯৮০-এর দশকে কানাডার টরন্টোতে একজন বিজ্ঞানী এসে নামলেন, কিন্তু অনেকেই তার সম্ভাবনায় বিশ্বাস রাখেননি। এই ঘটনাটি কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং এখনও বিজ্ঞানীদের জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

"ফার্স্ট অ্যাকচুয়াল কেস অব বাগ বিং ফাউন্ড"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (যুক্তরাষ্ট্র), ওয়াশিংটন ডিসি (যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উইলিয়াম বিল বার্ক, ফ্রান্সিস বিলি স্পেন্স, গ্রেস হপার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪৭ (বছর), ৯ (অক্টোবর), ২ (কম্পিউটার), ৭০ (রিলে নম্বর), ৯২ (লগবুক নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖