📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করার মাধ্যমে মানুষের ভ্রমণ পরিকল্পনা প্রভাবিত হয়। মিলেনিয়াল প্রজন্মের মধ্যে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি গবেষক সাবরিনা রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে
ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার লাইক, কমেন্ট ও সামাজিক স্বীকৃতির তাগিদ মানুষের বাস্তব জীবনের সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করার মাধ্যমে মানুষের ভ্রমণ পরিকল্পনা প্রভাবিত হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করার মাধ্যমে মানুষের ভ্রমণ পরিকল্পনা প্রভাবিত হয়
- 📌 মিলেনিয়াল প্রজন্মের মধ্যে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার প্রত্যাশাকে ‘সোশ্যাল রিটার্ন’ বলা হয়
- 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দুই হাজার জনের বেশি মানুষ ছিলেন
- 📌 বেবি বুমার প্রজন্ম ফ্রান্সের মতো ঐতিহ্যবাহী স্থানের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন
📰 বিস্তারিত
ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার লাইক, কমেন্ট ও সামাজিক স্বীকৃতির তাগিদ মানুষের বাস্তব জীবনের সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রমণের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করার মাধ্যমে মানুষের ভ্রমণ পরিকল্পনা প্রভাবিত হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটির প্রধান বাংলাদেশি গবেষক সাবরিনা রহমান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্নেল স্কুল অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস থেকে সম্প্রতি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সব বয়সের মানুষের ভ্রমণের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলে। তবে মিলেনিয়াল প্রজন্মের মধ্যে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। অন্যদের ট্রাভেল পোস্ট দেখে তাঁরা সেই ব্যক্তিদের আকর্ষণীয় মনে করেন। নিজেদের সামাজিক মর্যাদা বাড়াতে এই আকর্ষণীয়তার অনুভূতিই তাঁদের একই জায়গায় ভ্রমণে যেতে ও নিজেদের পোস্ট দিতে উৎসাহিত করে। অন্যদিকে বেবি বুমার প্রজন্মের ক্ষেত্রে এমন পোস্ট দেখে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা কম দেখা গেছে।
গবেষণার মূল বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করে সাবরিনা রহমান বলেন, ‘আমরা যখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু পোস্ট করি, তখন আশা করি, আমাদের সহকর্মীরা বা পরিচিতরা ইতিবাচ্ত সাড়া দেবেন, লাইক ও কমেন্ট করে যুক্ত হবেন। ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার এই প্রত্যাশাকে আমরা “সোশ্যাল রিটার্ন” বা সামাজিক প্রতিদান বলি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সাবরিনা রহমান আরও যোগ করেন, এটি তুলনামূলকভাবে একটি নতুন বিষয়। তবে বিশ্বের প্রায় দুই–তৃতীয়াংশ মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার কারণে এটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। মানুষ ভ্রমণের আগে ট্রাভেল ব্লগ, পোস্ট ও রিভিউ দেখে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই গন্তব্যগুলো আমাদের কাছে কতটা আকর্ষণীয় মনে হয়, তা আমাদের ভ্রমণের ইচ্ছা তৈরি করে।’
‘আমরা যখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু পোস্ট করি, তখন আশা করি, আমাদের সহকর্মীরা বা পরিচিতরা ইতিবাচক সাড়া দেবেন, লাইক ও কমেন্ট করে যুক্ত হবেন। ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার এই প্রত্যাশাকে আমরা “সোশ্যাল রিটার্ন” বা সামাজিক প্রতিদান বলি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরিনা রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!