📌 ইয়ামাগাতা জেলার ধানক্ষেতে আইগামো পদ্ধতির বদলে রোবট ব্যবহার করে আগাছা নিয়ন্ত্রণের নতুন সমাধান চালু হয়েছে, যা ১ দশমিক ৫ হেক্টর পর্যন্ত ক্ষেত্র কভার করে।
ইয়ামাগাতা জেলার সোনাই সমভূমি, যেখানে সমুদ্রের দৃশ্য আর পর্বতের পটভূমি মিলে ধানক্ষেত্র গড়ে উঠেছে, সেখানে এখন স্বয়ংক্রিয় রোবটের মাধ্যমে আইগামো পদ্ধতির বদলে ধানচাষের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। রোবটটি চালু করলেই কাজ শুরু করে এবং কৃষককে আগাছা পরিষ্কারের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোবটটি এক ইউনিটে প্রায় ১ দশমিক ৫ হেক্টর জমি কভার করতে পারে।
- 📌 প্রথম সংস্করণ ১৬ কেজি ওজনের, দ্বিতীয় সংস্করণ ৬ কেজি ওজনের, ফলে বহন করা সহজ হয়েছে।
- 📌 আইগামো পদ্ধতিতে হাঁসের ব্যবহার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কীটনাশকের প্রয়োজন কমাতে পারে।
- 📌 কৃষককে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আয় ডিম ও মাংসের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব।
📰 বিস্তারিত
প্রকৌশলী তেৎসুইয়া নাকামুরা ২০১১ সালে পূর্ব জাপানের বড় ভূমিকম্পের পর জৈব ধান চাষে সহায়তা করার জন্য রোবটের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন। টোকিওতে তার পরিকল্পনা শেয়ার করার পর, নিসান জাপান ও টোকিও ইউনিভার্সিটি অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির সমর্থনে এভারগ্রিন কোম্পানি গড়ে ওঠে, যেখানে নাকামুরা ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যুক্ত হন।
রোবটের বিশেষত্ব হল এর সহজ ব্যবহার; ধানখেতে নামিয়ে চালু করলেই এটি কাজ শুরু করে। এছাড়া এটি সৌরশক্তি ব্যবহার করে, ফলে পরিচালন খরচ কমে এবং বয়স্ক কৃষকের জন্যও উপযোগী হয়। "ধানখেতে নামিয়ে চালু করলেই এটি কাজ শুরু করে।"
আইগামো পদ্ধতিতে বুনো ও গৃহপালিত হাঁসের সংকর ব্যবহার করে আগাছা, পোকামাকড় ও ক্ষতিকর ছোট প্রাণী নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তবে হাঁসকে শিকারি প্রাণী ও রোগ থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। রোবটের সংযোজন এই ব্যবস্থাপনা বদল আনছে, কারণ এটি শিকারি প্রাণীর ঝুঁকি কমিয়ে দেয় এবং কৃষকের সময় ও শ্রম সাশ্রয় করে। বাংলাদেশে অনুরূপ প্রযুক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষকরা ইতিমধ্যে আলোচনা করছেন।
ধানখেতে নামিয়ে চালু করলেই এটি কাজ শুরু করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়ামাগাতা, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তেৎসুইয়া নাকামুরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ দশমিক ৫ হেক্টর, ১৬ কেজি, ৬ কেজি, ৬০ শতাংশ, ১০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!