📌 মোবাইল রিচার্জ করা ব্যালান্স দিয়ে অনলাইনে কেনাকাটার সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে মাসে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং বছরে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কেনাকাটা করা যাবে। ডিওবি পদ্ধতিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কেনার সুযোগ রয়েছে
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের ব্যালান্স ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ আরও সহজ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে মোবাইল রিচার্জ করা ব্যালান্স দিয়ে মাসে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং বছরে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল পণ্য ও সেবা কেনা যাবে। এর আগে এই সীমা ছিল মাসে ৬০০ টাকা এবং বছরে ৩ হাজার টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোবাইল ব্যালান্স দিয়ে অনলাইন কেনাকাটার মাসিক সীমা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার টাকা
- 📌 বছরে সর্বোচ্চ কেনাকাটার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা
- 📌 ডিওবি পদ্ধতিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন, সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কেনা যাচ্ছে
- 📌 গ্রামীণফোনসহ তিন অপারেটরের গ্রাহকরা এই সুবিধা পাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই মোবাইল ফোনের ব্যালান্স ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটররা। ‘ডাইরেক্ট অপারেটর বিলিং’ বা ডিওবি নামে পরিচিত এই পদ্ধতিতে গ্রাহকেরা তাঁদের মোবাইল রিচার্জ করা টাকা দিয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কিনতে পারেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় এই সেবার লেনদেন সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
২০১৮ সালে চালু হওয়া ডিওবি পদ্ধতিতে প্রাথমিকভাবে মাসে ৬০০ টাকা এবং বছরে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত কেনাকাটা করা যেত। তবে সময়ের সাথে সাথে এই সীমা বৃদ্ধির দাবি জানায় মোবাইল অপারেটররা। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিটিআরসি ও বিএফআইইউর যৌথ পর্যালোচনার পর গত জুলাইয়ে নতুন সীমা অনুমোদন করা হয়। ফলে এখন থেকে মাসে ৫ হাজার টাকা এবং বছরে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কেনাকাটা করা সম্ভব হচ্ছে।
গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা তানভীর মোহাম্মদ জানান, নতুন সীমা বৃদ্ধির ফলে গ্রাহকেরা আরও সহজে তাঁদের মোবাইল ব্যালান্স ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা উপভোগ করতে পারবেন। তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাহকেরা এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন, গেমিং, সংগীত, সরকারি সেবা এবং ধর্মীয় ও লাইফস্টাইলভিত্তিক সেবা কিনতে পারছেন।
"ডিওবির লেনদেনের সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রাহকেরা তাঁদের মুঠোফোনের ব্যালান্স ব্যবহার করে আরও সহজে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কিনতে পারবেন।"
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট চারটি মোবাইল অপারেটর রয়েছে—গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক। ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন বিটিআরসির কাছ থেকে অনুমোদন পেয়েছে। অন্য তিন অপারেটরের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিয়েছে। তবে তাদেরকে বিটিআরসির কাছ থেকে আলাদা অনুমোদন নিতে হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তানভীর মোহাম্মদ (গ্রামীণফোন)
- 🔢 মাসিক সীমা: ৫ হাজার টাকা
- 🔢 বার্ষিক সীমা: ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!