📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সর্বজনীন ডিজিটাল পরিচয়পত্র চালু করতে যাচ্ছে সরকার, মিলবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবা

সর্বজনীন ডিজিটাল পরিচয়পত্র চালু করতে যাচ্ছে সরকার, মিলবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকার দেশের সব নাগরিকের জন্য ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি (এক-আইডি) কার্ড চালু করতে যাচ্ছে। জন্মের পর থেকেই শিশুরা এই কার্ড পাবে এবং সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ধরনের সরকারি সেবা পেতে এটি ব্যবহার করতে পারবে। প্রকল্পটির নাম ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)

সরকার দেশের সব নাগরিকের জন্য ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি (এক-আইডি) নামে একটি সর্বজনীন ডিজিটাল পরিচয়পত্র চালু করতে যাচ্ছে। জন্মের পর থেকেই শিশুরা এই পরিচয়পত্র পাবে এবং সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সেবাসহ সব ধরনের সরকারি সেবা পেতে এটি ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতিটি এক-আইডি কার্ড তৈরিতে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা
  • 📌 প্রকল্পটির নাম ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার)
  • 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা
  • 📌 সরকার নিজে দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা, বাকি ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আসবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ হিসেবে
  • 📌 প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল

📰 বিস্তারিত

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের নতুন প্রকল্প ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (ডি-স্টার) এর মাধ্যমে দেশের সব নাগরিককে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি (এক-আইডি) কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। প্রকল্পটির সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের পরিচয়পত্র থাকলেও সেগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। কারও দুটি জন্মনিবন্ধন কার্ড, কারও দুটি পাসপোর্ট রয়েছে। নতুন এই এক-আইডি কার্ড হবে একক ও স্থায়ী। জন্মের পর থেকেই শিশুরা এই কার্ড পাবে এবং সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সব ধরনের সরকারি সেবা পেতে এটি ব্যবহার করতে পারবে। ফলে সরকারি দপ্তরে বারবার একই তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে জানান তিনি।

প্রতিটি এক-আইডি কার্ড তৈরিতে ব্যয় হবে ৩৬৯ টাকা। এর মধ্যে কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৬ টাকা এবং বিতরণ ও সরবরাহ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৩ টাকা। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। সরকার নিজে দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা, আর বাকি ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা আসবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ হিসেবে।

"দেশে এখন অনেক ধরনের কার্ড থাকলেও সমন্বয়হীনতা রয়েছে। নতুন পরিচয়পত্র হবে একক ও স্থায়ী। নতুন জন্ম নেওয়া একটি শিশুও এই কার্ড পাবে। আর কোনো কার্ডের প্রয়োজন হবে না।"

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এক-আইডি কার্ড চালু হলে ধীরে ধীরে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ অন্যান্য কার্ডের কার্যকারিতা থাকবে না। নতুন কার্ডে এসব কার্ডের সেবা একীভূত করা হবে। তবে নতুন কার্ডে ঠিক কোন কোন তথ্য থাকবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুনুর রশীদ ভূঞা (তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬৯ টাকা (প্রতি কার্ড তৈরিতে ব্যয়), ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা (প্রকল্প ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖