📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফেসবুক থেকে মমির মাথা কিনলে কী বিপদ? গবেষণা প্রকাশ করে সত্যিকারের ঝুঁকি

ফেসবুক থেকে মমির মাথা কিনলে কী বিপদ? গবেষণা প্রকাশ করে সত্যিকারের ঝুঁকি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে মমি ও প্রাচীন দেহাবশেষের গোপন কালোবাজার গড়ে উঠেছে। গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৫-২০২৫ সালের মধ্যে ১২৮টি অনলাইন বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে একবার মমির মাথার দাম চাওয়া হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ডলার। স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আইনি সমস্যার পাশাপাশি মমির অভিশাপের কথাও উঠে এসেছে গবেষণায়

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অদ্ভুত জিনিসের বিক্রি হয় না বলে মনে হয়। কিন্তু সত্যি কথা, এখানে মমির মাথা, হাত-পা এমনকি মেরুদণ্ডের অংশও বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গবেষণা প্রকাশ করেছে এই বিষয়টি কতটা বিপজ্জনক হতে পারে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব স্ট্যাফোর্ডশায়ারের একদল গবেষকের নতুন গবেষণাপত্রে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফেসবুক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ২০১৫-২০২৫ সালের মধ্যে মমি ও প্রাণীর দেহাবশেষের ১২৮টি বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে একবার মমির মাথার দাম চাওয়া হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ডলার
  • 📌 মমির অভিশাপের কথা নিয়ে গবেষণাপত্রের নাম ‘দ্য রিয়েল মমিজ কার্স’ (মমির সত্যিকারের অভিশাপ)
  • 📌 মমি সংরক্ষণের পেছনে রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আইনি সমস্যা

📰 বিস্তারিত

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে কেবল পুরোনো ফ্রিজ বা ব্যবহার করা সাইকেল বিক্রির বিজ্ঞাপনই নয়, এমনকি প্রাচীন মিসরের মমির মাথাও বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব স্ট্যাফোর্ডশায়ারের গবেষকদের একটি দল এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁদের গবেষণাপত্রের নাম ‘দ্য রিয়েল মমিজ কার্স’। বাংলা অর্থে ‘মমির সত্যিকারের অভিশাপ’। গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মানুষের মমি ও প্রাণীর দেহাবশেষের একটি গোপন কালোবাজার গড়ে উঠেছে।

গবেষকরা ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ১২৮টি মমি বা প্রাণীর দেহাবশেষের বিক্রির বিজ্ঞাপন খুঁজে পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞাপন ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-কমার্স ওয়েবসাইট ও অনলাইন নিলাম প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিজ্ঞাপনে মমির মাথার দাম চাওয়া হয়েছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ডলার।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, মমি সংরক্ষণের পেছনে রয়েছে বড়সড় একটি কালোবাজার। এই বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য শুধু আইন বা নৈতিকতার প্রশ্নই নেই, আছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। কয়েক শতাব্দী আগের কোনো মমি ঘরে সাজিয়ে রাখার শখ শেষ পর্যন্ত ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে।

"মমির অভিশাপের কথা নিয়ে গবেষণাপত্রের নাম ‘দ্য রিয়েল মমিজ কার্স’। এটি প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব কালচারাল পোয়েট্রি সাময়িকীতে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য (স্ট্যাফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়), যুক্তরাষ্ট্র, মিসর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষক দল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৮টি বিজ্ঞাপন, ১ লাখ ১৫ হাজার ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖