📌 এআই প্রশিক্ষণের পেছনে অসংখ্য অদৃশ্য শ্রমশক্তি কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জের এক ফ্রিল্যান্সার সজীব (ছদ্মনাম) ঘণ্টায় মাত্র ৩ ডলারে ছবিতে লেবেল বসিয়ে এআইকে শেখাচ্ছেন। মার্কিন কোম্পানিগুলো ঘণ্টায় ১২.৫০ ডলার দিচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশ ও কেনিয়ায় কর্মীরা পাচ্ছেন মাত্র ২-৩ ডলার। বিশেষ দক্ষতা অর্জন ও মান যাচাইয়ের কাজ শিখলে এআই শিল্পে উন্নতি সম্ভব
রাত দুইটার গভীরে নারায়ণগঞ্জের এক বাসায় ল্যাপটপের আলোয় ছবির ওপর ‘গাড়ি’, ‘মানুষ’, ‘সাইনবোর্ড’ লেবেল বসিয়ে যাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সার সজীব (ছদ্মনাম)। এই অদৃশ্য শ্রমই এআইকে ‘নিজে নিজে’ শেখার পথে পরিচালনা করছে। সকালে তাঁর চোখ জ্বালা করবে, কিন্তু তাঁর নাম কোথাও লেখা থাকবে না। এ কাজের নাম ইমেজ ডেটা অ্যানোটেশন বা ছবিতে লেবেল বসানো। বাংলাদেশ এআই-এর বৈশ্বিক বাজারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে, কিন্তু এই কাজের মজুরি খুব কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জের ফ্রিল্যান্সার সজীব (ছদ্মনাম) ঘণ্টায় মাত্র ৩ ডলারে এআই প্রশিক্ষণের জন্য ছবিতে লেবেল বসাচ্ছেন।
- 📌 মার্কিন কোম্পানিগুলো ঘণ্টায় ১২.৫০ ডলার দিচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশ ও কেনিয়ায় কর্মীরা পাচ্ছেন মাত্র ২-৩ ডলার।
- 📌 এআই শিল্পে বিশেষ দক্ষতা (বাংলা, চিকিৎসা, আইন) অর্জন ও মান যাচাইয়ের কাজ শিখলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
- 📌 বাংলাদেশ এআই-এর বৈশ্বিক বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়েছে, কিন্তু কর্মীদের মজুরি খুব কম।
📰 বিস্তারিত
এআই প্রশিক্ষণের পেছনে অসংখ্য অদৃশ্য শ্রমশক্তি কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জের এক বাসায় রাত দুইটার গভীরে ফ্রিল্যান্সার সজীব (ছদ্মনাম) ল্যাপটপের আলোয় ছবিতে লেবেল বসিয়ে যাচ্ছেন। এই ছোট ছোট কাজই ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় গাড়িকে রাস্তা চিনতে শেখায়। সকালে তাঁর চোখ জ্বালা করবে, কিন্তু তাঁর নাম কোথাও লেখা থাকবে না। এ কাজের নাম ইমেজ ডেটা অ্যানোটেশন বা ছবিতে লেবেল বসানো। টিবিএস নিউজের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ এআই-এর বৈশ্বিক বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়েছে।
কিন্তু এই কাজের মজুরি খুব কম। মার্কিন কোম্পানিগুলো আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানকে ঘণ্টায় ১২.৫০ ডলার পর্যন্ত দেয়, অথচ কেনিয়ার কর্মীরা পান মাত্র ২ ডলারের মতো। বাংলাদেশের একটি বিজ্ঞাপনেও ঘণ্টায় ৩ ডলারে খণ্ডকালীন কাজের প্রস্তাব দেখা গেছে। তাই বিশেষ দক্ষতা অর্জন ও মান যাচাইয়ের কাজ শিখলে এআই শিল্পে উন্নতি সম্ভব।
এআই শিল্পে বিশেষ দক্ষতা (বাংলা, চিকিৎসা, আইন) অর্জন ও মান যাচাইয়ের কাজ শিখলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। এটাকে শেষ গন্তব্য নয়, সিঁড়ি ভাবতে হবে। প্রশ্ন উঠেছে, আমরা কি শুধু এআইয়ের ভোক্তা হয়ে থাকব, নাকি নির্মাতা হব?
"এআই যে ‘নিজে নিজে’ শেখে বলে মনে করা হয়, তার পেছনে আসলে অসংখ্য মানুষের শ্রম থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজীব (ছদ্মনাম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ডলার (ঘণ্টায়), ১২.৫০ ডলার (মার্কিন কোম্পানির দর), ২ ডলার (কেনিয়ার কর্মীদের মজুরি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!