📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফেসবুক মিম ব্যবসায়ে কোটি টাকা আয়: জগন্নাথ-ইইউ ছাত্রদুজনের অনলাইন সফলতা

ফেসবুক মিম ব্যবসায়ে কোটি টাকা আয়: জগন্নাথ-ইইউ ছাত্রদুজনের অনলাইন সফলতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাজমুস শাহাদাত ও চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির নাজমুস সাকিব দুই ভাই ফেসবুক মিম ও কার্টুন দিয়ে শুরু করে বর্তমানে কোটি টাকা ব্যবসা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তাদের ৪০ লাখের বেশি অনুসারী এবং নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করছেন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাজমুস শাহাদাত ও চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির নাজমুস সাকিব দুই ভাই ফেসবুক মিম ও কার্টুন তৈরি করে শুরু করেছেন এক কোটি টাকার ব্যবসা। তাদের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। শুরুতে শিক্ষাজীবনের খরচ মেটানোর জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট তৈরি শুরু করেন তারা। এখন তাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে ৪০ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **জগন্নাথ ও ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ছাত্রদুজনের** ফেসবুক মিম ব্যবসা থেকে ২০২৪ সালে এক কোটি টাকা আয়
  • 📌 **৪০ লাখের বেশি অনুসারী** নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ইউআরপ্রিন্টজ ডটকম
  • 📌 **হ্যালোইন ও বড়দিনের মতো উৎসবের সময়ে** বিক্রি বাড়ে, বিশেষ নকশার পণ্য তৈরি করে
  • 📌 **খালাতো ভাই মোহাম্মদ হাসান রাফি** ডিজাইন কাজে যোগ দেন, টি-শার্ট থেকে শুরু করে সোয়েটশার্ট, হুডি ও টাম্বলার বিক্রি
  • 📌 **ফেসবুক ইনসাইটের তথ্য** থেকে জানা যায়, তাদের কনটেন্টের ৮০% দর্শক যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা

📰 বিস্তারিত

শাহাদাত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ছাত্র ছিলেন। শুরুতে তিনি ইউটিউবে স্লাইড শো তৈরি করতেন, কিন্তু সাড়া পায়নি। পরে ফেসবুক বোনাস ও কনটেন্ট মনিটাইজেশনের ধারণা নিয়ে এআই টুল ব্যবহার করে কার্টুন ও মিম তৈরি শুরু করেন। তাদের মিমগুলোতে মজার মজার কথা জড়িয়ে রেখে ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে শেয়ার করা হত। ধীরে ধীরে এই কনটেন্ট ভাইরাল হয়ে ওঠে এবং তাদের পেজে অনুসারী বাড়তে থাকে।

শাহাদাত বলেন, “শুরুতে কয়েক মাস কোনো আয় ছাড়াই আমরা পেজ ও গ্রুপের দর্শক বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা খরচ করতে চাইনি। বরং বিভিন্ন গ্রুপে মিম শেয়ার করে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো ছিল আমাদের লক্ষ্য। ধীরে ধীরে এই চেষ্টার ফল আসতে শুরু করে। মিমের দর্শকেরাই হয়ে ওঠেন আমাদের পণ্যের সম্ভাব্য ক্রেতা।”

২০২৪ সালে তাদের ব্যবসায় প্রায় এক কোটি টাকা আয় হয়। বর্তমানে তাদের ফেসবুক পেজগুলোতে ৪০ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। তাদের পণ্যের তালিকা বাড়তে থাকে টি-শার্ট থেকে শুরু করে সোয়েটশার্ট, হুডি ও টাম্বলার পর্যন্ত। এসব পণ্যের নকশায় মিমের পরিচিত রসিকতা ও সংলাপ ব্যবহার করা হয়। তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ইউআরপ্রিন্টজ ডটকমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হয়।

"সময়ের সঙ্গে এআই টুলের উন্নতি হওয়ায় কম সময়ে মানসম্পন্ন নকশা তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের পাশাপাশি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হয়েছে।"

শাহাদাত জানান, উৎসবের সময় যেমন হ্যালোইন ও বড়দিনে তাদের বিক্রি বাড়ে। এ সময়ে উৎসবের সঙ্গে মিল রেখে বিশেষ নকশার পণ্য তৈরি করে ভালো সাড়া পান। ফেসবুক ইনসাইটের তথ্য থেকে জানা যায়, তাদের কনটেন্টের দর্শকের বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা, বিশেষ করে মধ্যবয়সী ও বয়স্করা। তাদের বয়স, অবসরজীবন ও দৈনন্দিন জীবনের বিরক্তি নিয়ে তৈরি রসিকতাগুলোই পছন্দ করছেন বেশি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা (লাকসাম), চট্টগ্রাম, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুস শাহাদাত, নাজমুস সাকিব, মোহাম্মদ হাসান রাফি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ অনুসারী, ১ কোটি টাকা আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖