📌 বোলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি রড্রিগো পাজ এল নিনোর কারণে দেশে জলাবদ্ধতা ও শুষ্কতার কারণে জাতীয় আতঙ্কাবস্থা ঘোষণা করেছেন। ৭৮ হাজার পরিবার শুষ্কতার শিকার এবং ৭৫ হাজার গবাদি পশু নষ্ট হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই এল নিনো বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে
বোলিভিয়া এল নিনো আবহাওয়ার ঘটনার কারণে দেশব্যাপী জলাবদ্ধতা ও শুষ্কতার কারণে জাতীয় আতঙ্কাবস্থা ঘোষণা করেছে। বোলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি রড্রিগো পাজ শনিবার এই ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ধার দলকে আরও তৎপর করা হবে এবং সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বোলিভিয়া ঘোষণা করে জাতীয় আতঙ্কাবস্থা — এল নিনোর কারণে জলাবদ্ধতা ও শুষ্কতার কারণে
- 📌 ৭৮ হাজার পরিবার শুষ্কতার শিকার, ৭৫ হাজার গবাদি পশু নষ্ট হয়েছে
- 📌 রাষ্ট্রপতি পাজ বলেছেন, এল নিনোর প্রভাব "দুর্ভেদ্য শুষ্কতা ও বন্যা" সৃষ্টি করবে
- 📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এল নিনো ২০২৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
- 📌 বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই এল নিনো বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে
- 📌 পেরুতে আগুনে ১২ জনের মৃত্যু, চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো অক্টোবর মাসে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের রেকর্ড গড়েছে
📰 বিস্তারিত
বোলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি রড্রিগো পাজ বলেছেন, এল নিনো আবহাওয়ার ঘটনা দেশে "দুর্ভেদ্য শুষ্কতা ও বন্যা" সৃষ্টি করবে। তিনি বলেছেন, "সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন"। বোলিভিয়ার সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের নয়টি প্রদেশের মধ্যে ছয়টি প্রদেশে ৭৮ হাজার পরিবার শুষ্কতার শিকার। এছাড়াও, শুষ্কতার কারণে ৭৫ হাজার গবাদি পশু নষ্ট হয়েছে।
বোলিভিয়া এল নিনোর কারণে জলাবদ্ধতারও শিকার। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে বন্যা হয়েছিল, যার ফলে দশকরা লোকের মৃত্যু হয়েছিল। পেরুতে আগুনে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো অক্টোবর মাসে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের রেকর্ড গড়েছে।
এল নিনো হলো একটি বৈশ্বিক আবহাওয়ার ঘটনা, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছরে একবার ঘটে। প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রার বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী বায়ু, চাপ এবং বৃষ্টিপাতের প্যাটার্ন পরিবর্তন করে, যা প্রায়শই অত্যাধুনিক আবহাওয়ার সৃষ্টি করে। এই ঘটনার শক্তি পরিবর্তিত হয় এবং এর প্রভাব অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই এল নিনো বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে এবং এর শীর্ষে পৌঁছাবে ২০২৬ সালের শেষের দিকে। এর প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
"এল নিনোর কারণে দেশে 'দুর্ভেদ্য শুষ্কতা ও বন্যা' সৃষ্টি হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বোলিভিয়া, সান্তা ক্রুজ, চিলি (সান্তিয়াগো), পেরু
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বোলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি রড্রিগো পাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮,০০০ পরিবার শুষ্কতার শিকার, ৭৫,০০০ গবাদি পশু নষ্ট, ১২ জন মৃত্যু পেরুতে আগুনে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!