📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদে পারমাণবিক শক্তি ঘাঁটি: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া-চীন প্রতিযোগিতায় কেন দৌড়?

চাঁদে পারমাণবিক শক্তি ঘাঁটি: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া-চীন প্রতিযোগিতায় কেন দৌড়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। নাসা ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী চুল্লি স্থাপনের লক্ষ্য রাখছে, যখন রাশিয়া-চীনের উদ্যোগ ২০৩৬ সালের দিকে। বিজ্ঞানীরা তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি ও সামরিক প্রতিযোগিতার উদ্বেগ তুলেছেন।

চাঁদে স্থায়ী মহাকাশ ঘাঁটি নির্মাণ ও খনিজ উত্তোলনে বিপ্লব ঘটাতে চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের প্রতিযোগিতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রকল্পে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। নাসা ঘোষণা করেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করা হবে, যা ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং পাঁচ বছর ধরে রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই চলতে পারবে। এর ওজন হবে মাত্র ৬ হাজার কেজির কম। অন্যদিকে, রাশিয়া ও চীনের যৌথ উদ্যোগ ‘সেলেনা’ চুল্লিটি ২০৩৬ সালের দিকে চাঁদের ঘাঁটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রস্তুত হবে। এই চুল্লিটি ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং ১০ বছর ধরে চলবে। এর ওজন হবে প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের নাসা** ঘোষণা করেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করা হবে। চুল্লিটি ৬ হাজার কেজির কম ওজনের হবে এবং ৫ মিটার প্রস্থের রকেটে স্থান পাবে।
  • 📌 **রাশিয়া-চীনের যৌথ প্রকল্প ‘সেলেনা’** ২০৩৬ সালের দিকে চাঁদে ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী চুল্লি স্থাপনের লক্ষ্য রাখছে। এর ওজন ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি এবং এটি ১০ বছর ধরে চলবে।
  • 📌 **চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফের সন্ধান** পাওয়ার কারণে এই চুল্লিগুলোকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় মনে করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বরফ থেকে পানীয় জল, বাতাস ও রকেটের জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব।
  • 📌 **সামরিক প্রতিযোগিতা** তীব্র হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েন করেছে, যা যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, মহাকাশে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের ফলে জিপিএস ও গোয়েন্দা উপগ্রহের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে।
  • 📌 **তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি** নিয়ে বিজ্ঞানীরা সতর্কতা জানিয়েছেন। চাঁদে চুল্লি স্থাপনের আগে সেগুলো বন্ধ রাখা হবে, কিন্তু চালু অবস্থায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটতে পারে।

📰 বিস্তারিত

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার পিছনে মূল কারণ হলো চাঁদের দক্ষিণ মেরুর বরফের সন্ধান। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই বরফ থেকে পানীয় জল, বাতাস ও রকেটের জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব। তবে, এই প্রকল্পে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। নাসার ‘লুনার রিঅ্যাক্টর ১’ চুল্লিটি ২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং পাঁচ বছর ধরে চলতে পারবে। এর ওজন হবে মাত্র ৬ হাজার কেজির কম। চুল্লিটি এমন একটি রকেটে স্থান পাবে, যার দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭ মিটার এবং প্রস্থ ৫ দশমিক ৫ মিটার।

রাশিয়া ও চীনের যৌথ প্রকল্প ‘সেলেনা’ চুল্লিটি ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং ১০ বছর ধরে চলবে। এর ওজন হবে প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি। এই চুল্লিটি চাঁদের পৃষ্ঠে তুলনামূলক সহজে ও নিরাপদে অবতরণ করানো সম্ভব হবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাঁদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সৌরশক্তি যথেষ্ট নয়। ব্যাটারি ও ডিজেলও ব্যয়বহুল, কারণ সবকিছু পৃথিবী থেকে পাঠাতে হবে। তাই পারমাণবিক শক্তিই সবচেয়ে যৌক্তিক সমাধান।

যুক্তরাষ্ট্রের আগের কয়েকটি মহাকাশ পারমাণবিক প্রকল্প বাজেটের অগ্রাধিকারে পরিবর্তনের কারণে থেমে গেছে। তবে, এই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য। সাইমন মিডলবার্গ, যুক্তরাজ্যের ব্যাঙ্গোর ইউনিভার্সিটির নিউক্লিয়ার ফিউচারস ইনস্টিটিউটের পরিচালক বলেছেন, গত ৭০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের উন্নত কর্মসূচিতে ২ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে। তবে, ১৯৬৫ সালের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প ছাড়া দেশটি কখনো সফলভাবে মহাকাশে পারমাণবিক চুল্লি পাঠাতে পারেনি। ওই পরীক্ষায় উপগ্রহে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু ৪৩ দিন পর চুল্লিটি বন্ধ হয়ে যায়। সেটি এখনো মহাকাশে ভাসছে।

"চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের ফলে মহাকাশে সামরিক প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অস্ত্র যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদ (দক্ষিণ মেরু)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাসা কর্মকর্তারা, রাশিয়া-চীনের প্রকল্প দল, বিজ্ঞানীরা (সাইমন মিডলবার্গ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ কিলোওয়াট (নাসার চুল্লি), ১০ কিলোওয়াট (রাশিয়া-চীনের চুল্লি), ৬ হাজার কেজি (নাসার চুল্লির ওজন), ১ হাজার ১০০-৩০০ কেজি (রাশিয়া-চীনের চুল্লির ওজন), ২০৩০ (নাসার লক্ষ্য), ২০৩৬ (রাশিয়া-চীনের লক্ষ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖