📌 গুগলের সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক শ্মিটের উদ্যোগে নির্মিত বিশ্বের প্রথম বেসরকারি স্পেস টেলিস্কোপ 'লাজুলি' ২০২৯ সালে মহাকাশে পাঠানো হবে। এই টেলিস্কোপ ২৭টি রহস্যময় গ্রহের সন্ধানে যাত্রা করবে এবং হাবলের চেয়ে ৭০% বেশি আলো ধরতে পারবে
বিশ্বের প্রথম বেসরকারি স্পেস টেলিস্কোপ ‘লাজুলি’ মহাকাশে ২৭টি রহস্যময় গ্রহের সন্ধানে যাত্রা করবে। গুগলের সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক শ্মিট ও তাঁর স্ত্রী ওয়েন্ডি শ্মিটের উদ্যোগে নির্মিত এই টেলিস্কোপ ২০২৯ সালের মধ্যে মহাকাশে পাঠানো হবে। এই টেলিস্কোপের মূল উদ্দেশ্য হলো মহাকাশের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল ও সম্ভাব্য জীবনের সন্ধান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত বিশ্বের প্রথম পূর্ণ আকারের স্পেস টেলিস্কোপ ‘লাজুলি’ ২০২৯ সালে মহাকাশে পাঠানো হবে।
- 📌 ৩ মিটার আয়না সহ এই টেলিস্কোপ হাবলের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশি আলো ধরতে পারবে।
- 📌 ২৭টি রহস্যময় গ্রহ পর্যবেক্ষণের লক্ষ্য রাখা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ৫৫ ক্যানক্রি ডি গ্রহ।
- 📌 এক্সট্রাসোলার করোনাগ্রাফ যন্ত্রটি গ্রহের প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করবে।
- 📌 বিজ্ঞানীরা লোগান পিয়ার্স ও ইউয়ান ডগলাসের নেতৃত্বে ২৭টি গ্রহের তালিকা প্রণয়ন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
মহাকাশের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা গ্রহগুলোর সন্ধানে বিশ্বের প্রথম বেসরকারি স্পেস টেলিস্কোপ ‘লাজুলি’ ২০২৯ সালের মধ্যে মহাকাশে পাঠানো হবে। এই টেলিস্কোপের নির্মাণ কাজ করছে গুগলের সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক শ্মিট ও তাঁর স্ত্রী ওয়েন্ডি শ্মিটের দাতব্য সংস্থা শ্মিট সায়েন্সেস। এই টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়েছে ‘লাজুলি’।
হাবল টেলিস্কোপের মূল আয়না ২.৪ মিটার চওড়া, কিন্তু ‘লাজুলি’ টেলিস্কোপের আয়না হবে পুরো ৩ মিটার চওড়া। এই বড় আয়নার কারণে এটি হাবলের চেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি আলো ধরতে পারবে। এই টেলিস্কোপে তিনটি অত্যাধুনিক যন্ত্র থাকবে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এক্সট্রাসোলার করোনাগ্রাফ (ইএসসি)। এই যন্ত্রটি গ্রহের নিজস্ব তাপের ওপর ভরসা করবে না, বরং নক্ষত্রের প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে গ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করবে।
মহাকাশে গ্রহ খুঁজতে বিজ্ঞানীরা আগে তাপের সাহায্য নিতেন। কিন্তু বয়সের সাথে সাথে গ্রহের তাপ কমে যায়, ফলে পুরোনো গ্রহগুলোর সন্ধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ‘লাজুলি’ টেলিস্কোপের এক্সট্রাসোলার করোনাগ্রাফ যন্ত্রটি এই সমস্যার সমাধান করবে। এটি গ্রহের প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে বুড়িয়ে যাওয়া গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডলে কী কী গ্যাস আছে, কিংবা সেখানে কোনো প্রাণের চিহ্ন লুকিয়ে আছে কি না, তা নিখুঁতভাবে জানতে সাহায্য করবে।
বিজ্ঞানীদের তালিকায় থাকা ২৭টি গ্রহের প্রতিটিই বিশাল আকারের গ্যাসীয় দানব। এই গ্রহগুলোর মধ্যে ৫৫ ক্যানক্রি ডি গ্রহটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মহাকাশে স্পেস টেলিস্কোপের এক সেকেন্ড সময় মানেই কাড়িকাড়ি টাকা, তাই বিজ্ঞানীরা এই ২৭টি গ্রহকে লক্ষ্য করে পর্যবেক্ষণ করবেন।
"মহাকাশে গ্রহ খুঁজতে তাপের ওপর ভরসা করা পুরাতন পদ্ধতি। ‘লাজুলি’ টেলিস্কোপের করোনাগ্রাফ যন্ত্রটি গ্রহের প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে নতুন দিগন্ত খুলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাকাশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরিক শ্মিট, ওয়েন্ডি শ্মিট, লোগান পিয়ার্স, ইউয়ান ডগলাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭টি গ্রহ, ৩ মিটার আয়না, ৭০ শতাংশ বেশি আলো, ২০২৯ সালের মধ্যে মহাকাশে পাঠানো হবে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!