📌 মাইক্রোসফট বিশ্বের প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও এআই খাতে বিনিয়োগের জন্য। প্রতিষ্ঠানটির ২ লাখ ২৩ হাজার কর্মীর মধ্যে এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কর্মী এই প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারেন।
মাইক্রোসফট বিশ্বের ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও এআই খাতে বড় বিনিয়োগের জন্য। প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীর সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার — এই প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারেন এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কর্মী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাইক্রোসফটের ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে — যা প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীর এক-চতুর্থাংশেরও বেশি
- 📌 প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারবেন এআই এক্সপেরিয়েন্সেস, কোপাইলট, অর্থ বিভাগ, মানবসম্পদ, এক্সবক্স ও উইন্ডোজ প্লাস ডিভাইসেস বিভাগের কর্মীরা
- 📌 বিপণন-বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা বিভাগের কর্মীদের এই প্রস্তাবের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 মাইক্রোসফটের চিফ পিপল অফিসার অ্যামি কোলম্যান বলেছেন, কর্মীদের নতুন কর্মজীবনের সুযোগ তৈরি করবে এই উদ্যোগ
- 📌 চলতি বছরের জন্য মাইক্রোসফটের মূলধনি ব্যয়ের পূর্বাভাস ১৭৫ বিলিয়ন ডলার
- 📌 আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত হবে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল
- 📌 ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মাইক্রোসফটের পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার
- 📌 চলতি বছরে মাইক্রোসফটের শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত কর্মীদের মধ্যে ৭ শতাংশকে (৯ হাজার কর্মী) আগে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও এআই খাতে বড় বিনিয়োগের জন্য মাইক্রোসফটের ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীর সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার — এই প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারেন এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কর্মী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগের লক্ষ্য, একদিকে পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা, অন্যদিকে এআই অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা। প্রতিষ্ঠানটির চিফ পিপল অফিসার অ্যামি কোলম্যান কর্মীদের পাঠানো বার্তায় বলেছেন, যেসব কর্মী ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির বাইরে নতুন কিছু করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এই প্রস্তাব সহায়তা নিয়ে কর্মজীবনের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারবেন এআই এক্সপেরিয়েন্সেস, কোপাইলট, অর্থ বিভাগ, মানবসম্পদ বিভাগ, এক্সবক্স এবং উইন্ডোজ প্লাস ডিভাইসেস বিভাগের কর্মীরা। তবে বিপণন-বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা বিভাগের কর্মীদের এই প্রস্তাবের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, কানাডা, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট বিভাগে কর্মরত ৭০ বা তার নিচের স্তরের যোগ্য কর্মীরা এই সুযোগ পাবেন।
চলতি বছরের জন্য মাইক্রোসফটের মূলধনি ব্যয়ের পূর্বাভাস ১৭৫ বিলিয়ন ডলার। এ বিপুল ব্যয়ের মধ্যে এআই-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাজার লেনদেন শেষ হওয়ার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে মাইক্রোসফটের।
২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মাইক্রোসফটের পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার। চলতি বছরে মাইক্রোসফটের শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবারও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
"যেসব কর্মী ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির বাইরে নতুন কিছু করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এই প্রস্তাব সহায়তা নিয়ে কর্মজীবনের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারত, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যামি কোলম্যান (মাইক্রোসফটের চিফ পিপল অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার (কর্মী), ২ লাখ ২৩ হাজার (মোট কর্মী), ১৭৫ বিলিয়ন ডলার (ব্যয়), ১০ শতাংশ (শেয়ার বৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!