📌 ঢাকার ডিপিডিসির একটি ৩০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০ বছরে প্রায় ৫৯ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকারও বেশি হলেও, বিল সাশ্রয় ও নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক প্রমাণিত হয়েছে
ঢাকার একটি ৩০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০ বছরে প্রায় ৫৯ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) আওতাধীন এলাকায় স্থাপিত এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী, প্রাথমিক বিনিয়োগের পর দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০ বছরে প্রায় ৫৯ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা
- 📌 প্রাথমিক বিনিয়োগ ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা, সৌর প্যানেলের খরচ ৯ লাখ ২৫০ টাকা
- 📌 ২০ বছরে মোট ব্যয় ২২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা, বিল সাশ্রয় থেকে নিট লাভ ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা
- 📌 প্রথম তিন থেকে চার বছরের মধ্যে বিনিয়োগ উঠে আসবে নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে
- 📌 হাইব্রিড মডেলে ব্যাটারি স্টোরেজের খরচ বাড়ায়, পাঁচ-ছয় বছর সময় লাগে বিনিয়োগ উঠতে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬-এ ডিপিডিসির স্টলে উপস্থাপিত হিসাব অনুযায়ী, ৩০ কিলোওয়াট পিকের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে প্রাথমিক বিনিয়োগের মধ্যে সৌর প্যানেলের খরচ ৯ লাখ ২৫০ টাকা, ইনভার্টার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪০০ টাকা এবং অন্যান্য সরঞ্জামের খরচ ৩ লাখ ৬০ হাজার ১৫০ টাকা। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় ২০২৩ সালের জুনে।
২০ বছরের মেয়াদে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রাথমিক বিনিয়োগ ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা, ইনভার্টার পরিবর্তনের খরচ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতিবছর ২৪ হাজার টাকা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যয় বিবেচনা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের হিসাব অনুযায়ী, জুন ২০২৬ সালের আগে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ছিল ১২ টাকা ২১ পয়সা এবং জুন ২০২৬ থেকে ১৪ টাকা ৬৩ পয়সা। এই হিসাব অনুযায়ী, ২০ বছরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে মোট ৮১ লাখ ৬৫ হাজার ২৯৩ টাকার বিদ্যুৎ বিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিল সাশ্রয় থেকে ব্যয় বাদ দিলে নিট লাভ দাঁড়ায় ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ২৯৩ টাকা।
"কেউ যদি ৩০ কিলোওয়াটের সোলার সিস্টেম বসাতে চায় তাহলে তার প্রারম্ভিক বিনিয়োগ তিন-চার বছরের মধ্যে উঠে আসবে। এটা নেট মিটারিংয়ের জন্য। আবার হাইব্রিড মডেলে সিস্টেম বাস্তবায়ন করতে গেলে ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমের খরচ বাড়ায়, পাঁচ-ছয় বছর সময় লাগে খরচ উঠে আসতে।"
ডিপিডিসির সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার (নবায়নযোগ্য জ্বালানি) মাহফুজুল হাসান বলেন, এই প্রজেক্টের উদাহরণে দেখা যায়, ২০ বছরে প্রায় ৫৯ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক বিনিয়োগের পর দ্রুত লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহফুজুল হাসান (ডিপিডিসি সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৯ লাখ টাকা (২০ বছরে লাভ), ৩০ কিলোওয়াট (সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র), ১৫ লাখ টাকা (প্রাথমিক বিনিয়োগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!