📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ড পুনরুজ্জীবিত: ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমাধানে বড় প্রকল্প

গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ড পুনরুজ্জীবিত: ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমাধানে বড় প্রকল্প

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণে গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ড পুনরুজ্জীবিত করার বড় প্রকল্প শুরু করেছে। ৪ নভেম্বর পরিবেশগত মূল্যায়ন সভায় প্রকল্পের কারিগরি ও পরিবেশগত পরিকল্পনা আলোচিত হয়

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাবদ্ধতা সমাধানে গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ড পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন সভায় প্রকল্পের কারিগরি ও পরিবেশগত পরিকল্পনা বিস্তারিত আলোচিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ডের পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রকল্পে ২৫৭.৭৯ হেক্টর জমির পুনর্ব্যবহার করা হবে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় গোরানচটবাড়ি পাম্প স্টেশন, বাউনিয়া খাল পুনঃখনন ও তুরাগ নদী ড্রেজিং করা হবে
  • 📌 আধুনিক পানি শোধনাগার, ভাসমান কৃত্রিম জলাভূমি ও ফাউন্টেন-কাম-এরেটর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করেছে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) ও সিইজিআইএস
  • 📌 ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর গড়ে ওঠা এই পন্ডটি তুরাগ নদীতে পানি নিষ্কাশনে মূল ভূমিকা পালন করে আসছে

📰 বিস্তারিত

বাপাউবোর উদ্যোগে গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ডের পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রকল্পের জন্য পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষার অংশ হিসেবে ৪ নভেম্বর গোরানচটবাড়ি পাম্প স্টেশন প্রাঙ্গণে জনমত যাচাই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিইজিআইএস-এর সহযোগিতায় এই সভায় প্রকল্প উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এম. এল. সৈকত। সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয় অংশীদারদের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে জানানো হয়।

সভার তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অবৈধ দখল, পলি জমা এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের কারণে রিটেনশন পন্ডসহ সংযুক্ত বাউনিয়া, রূপনগর ও দিগুন খালের পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পন্ডের পানি ধারণক্ষমতা কমে গেছে, তীব্র দুর্গন্ধ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে এবং পন্ডের পানি ধারণক্ষমতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ‘ঢাকা জেলার গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ডের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ডের পুনঃখনন, বাউনিয়া খাল পুনঃখনন, তুরাগ নদী ড্রেজিং, আধুনিক পানি শোধনাগার নির্মাণ, ভাসমান কৃত্রিম জলাভূমি স্থাপন, ফাউন্টেন-কাম-এরেটর স্থাপন, কঠিন বর্জ্য অপসারণের জন্য ট্র্যাশ র্যাক স্থাপন, দিগুন খালের তীর ও সীমানা বরাবর ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং সবুজ সীমানা প্রাচীর তৈরি। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করেছে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস)।

"দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অবৈধ দখলের কারণে পন্ডের পানি ধারণক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পন্ডের পুনরুজ্জীবিতকরণের পাশাপাশি জলাবদ্ধতা হ্রাস এবং পরিবেশগত দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার পশ্চিমাঞ্চল, গোরানচটবাড়ি রিটেনশন পন্ড
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এম. এল. সৈকত (বাপাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী), ফরিদ আহমেদ (পরিবেশ অধিদফতর পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৭.৭৯ হেক্টর (পন্ডের আয়তন), ৪ নভেম্বর (সভার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖