📌 সৌদি প্রো লিগে খেলোয়াড় বিক্রি করে সর্বাধিক আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো থেকে বিক্রি হওয়া খেলোয়াড়দের মাধ্যমে তারা আয় করেছে ১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।
সৌদি আরবের প্রো লিগে খেলোয়াড় বিক্রির মাধ্যমে সর্বাধিক আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলটি এখন পর্যন্ত চারজন খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো। ইউরোপের অন্যান্য শীর্ষ ক্লাবগুলোর তুলনায় এই আয় সর্বোচ্চ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি প্রো লিগে খেলোয়াড় বিক্রি করে সর্বাধিক আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি (১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো)
- 📌 সিটির বিক্রি করা চারজন খেলোয়াড়: তিয়ানি রেইন্ডার্স (৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো), রিয়াদ মাহরেজ (৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো), আইমেরিক লাপোর্ত (২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো), জোয়াও কানসেলো (২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো)
- 📌 দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাস্টন ভিলা (১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো আয়)
- 📌 তৃতীয় স্থানে লিভারপুল (১১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো আয়)
📰 বিস্তারিত
সৌদি প্রো লিগে খেলোয়াড় বিক্রির মাধ্যমে সর্বাধিক আয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলটি এখন পর্যন্ত চারজন খেলোয়াড় বিক্রি করেছে। তিয়ানি রেইন্ডার্সকে বিক্রি করা হয়েছে ৬ কোটি ১০ লাখ ইউরোর বিনিময়ে। এর আগে রিয়াদ মাহরেজকে বিক্রি করা হয়েছিল ৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরোতে, আইমেরিক লাপোর্তকে ২ কোটি ৮০ লাখ ইউরোতে এবং জোয়াও কানসেলোকে ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরোতে।
অ্যাস্টন ভিলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তারা জন দুরানকে বিক্রি করেছে ৭ কোটি ৭৭ লাখ ইউরোতে এবং মুসা দিয়াবিকে বিক্রি করেছে ৬ কোটি ইউরোতে। এর মাধ্যমে ভিলা মোট আয় করেছে ১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিভারপুল। তারা সৌদি প্রো লিগে তিনজন খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ১১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পোর্তো, যারা চারজন খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ১১ কোটি ইউরো।
"সৌদি প্রো লিগে খেলোয়াড় বিক্রির মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটি সর্বাধিক আয় করেছে। ইউরোপের অন্যান্য শীর্ষ ক্লাবগুলোর তুলনায় তাদের আয় সবচেয়ে বেশি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ ও সৌদি আরব
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তিয়ানি রেইন্ডার্স, রিয়াদ মাহরেজ, আইমেরিক লাপোর্ত, জোয়াও কানসেলো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!