📌 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর একাধিক ব্যাচের ফলাফলে অস্বাভাবিক পতন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্বের। পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর একাধিক ব্যাচের ফলাফলে অস্বাভাবিক পতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্বের শিকার হয়ে শিক্ষার্থীরা ফল বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন। পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে আবেদন করেও দীর্ঘ ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর একাধিক ব্যাচের ফলাফলে অস্বাভাবিক পতন দেখা দেয়
- 📌 পশুপালন অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এএনএম এহসানুল হক হিমেলের সাম্প্রতিক ফলাফলে থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল উভয় অংশেই অকৃতকার্য হওয়ার অভিযোগ
- 📌 হিমেলের দাবি, আন্দোলনের পূর্বে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৬৭১, যা পরে কমে ২.৯৪৬ ও ৩.২৭৮-এ দাঁড়ায়
- 📌 ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন ব্যাচের আরও কয়েকটি কোর্সের ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে আবেদন করেও ছয় মাস পার হলেও কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিএসসি ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাজব্যান্ড্রি বা ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি’ চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর একাধিক ব্যাচের ফলাফলে অস্বাভাবিক পতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্বের শিকার হয়ে শিক্ষার্থীরা ফল বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন।
পশুপালন অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এএনএম এহসানুল হক হিমেলের সাম্প্রতিক ফলাফলে থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল উভয় অংশেই অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। হিমেল ২০২৫ সালে কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার দাবি, আন্দোলনের পূর্বে তার একাডেমিক ফল সন্তোষজনক ছিল। লেভেল-২, সেমিস্টার-২ শেষে তার গড় সিজিপিএ ছিল ৩.৬৭১ এবং তখন পর্যন্ত কোনো কোর্সে তার ক্যারি ছিল না। পরবর্তী সময়ে লেভেল-৩, সেমিস্টার-১-এ তার সিজিপিএ কমে দাঁড়ায় ২.৯৪৬। পরবর্তী সেমিস্টারে সিজিপিএ ৩.২৭৮ হলেও মিট সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কোর্সের থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল উভয় অংশেই এফ গ্রেড আসে।
ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন ব্যাচের আরও কয়েকটি কোর্সের ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ‘এলিমেন্টারি ডেইরি সায়েন্স’ ও তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ‘অ্যানিম্যাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট’ কোর্সে অস্বাভাবিকভাবে কম ফল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উক্ত দুটি কোর্সেই সর্বোচ্চ গ্রেড এ প্লাস পেয়েছেন মাত্র তিনজন করে শিক্ষার্থী।
ফল পুনরালোচনার দাবিতে লেভেল-৩, সেমিস্টার-২ ও লেভেল-২, সেমিস্টার-২-এর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর আবেদন করেন। গত ২৬ জানুয়ারি পৃথকভাবে আবেদনগুলো জমা দেওয়া হয়। তবে আবেদন করার ছয় মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা ফল জানানো হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
"আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে কোনো শিক্ষার্থীর একাডেমিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করা কোনো শিক্ষকের কাছেই কাম্য নয়। ধারাবাহিকভাবে ফল বিপর্যয়ের কারণে আমি এবং আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমার সহপাঠীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব আমাদের একাডেমিক জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও পড়ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এএনএম এহসানুল হক হিমেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩.৬৭১ (আন্দোলন পূর্ববর্তী সিজিপিএ), ২.৯৪৬ (পরবর্তী সেমিস্টারে সিজিপিএ), ৩.২৭৮ (আরও পরবর্তী সেমিস্টারে সিজিপিএ), ২৬ জানুয়ারি (আবেদনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!