📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিচ্ছিন্ন দ্বীপের শিশু-কিশোরদের ক্রিকেটের স্বপ্ন পূরণ করছে একাডেমি

বিচ্ছিন্ন দ্বীপের শিশু-কিশোরদের ক্রিকেটের স্বপ্ন পূরণ করছে একাডেমি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ দ্বীপে 'সন্দ্বীপ ক্রিকেট একাডেমি' প্রতিষ্ঠা করে আরিফুল আলম (খালেদ) ১৫০ জন শিশু-কিশোরকে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন এবং কিছুজন বিকেএসপিতে ভর্তি হয়েছে

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ দ্বীপের একটি বিচ্ছিন্ন মাঠে ক্রিকেটের প্রশিক্ষণে ব্যস্ত শিশু-কিশোরদের চিত্র আজও স্মরণীয়। পড়ন্ত বিকেলের আলোতে ব্যাট-বল হাতে অনুশীলন করছেন তারা। প্রশিক্ষকের নির্দেশনায় ক্রিকেটের খুঁটিনাটি শেখার এই অনুশীলনটি শুরু হয়েছে আরিফুল আলম ওরফে খালেদের উদ্যোগে। তিনি ২০১৯ সাল থেকে এই দ্বীপের শিশু-কিশোরদের ক্রিকেট প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এবং তার একাডেমি এখন ১৫০ জনেরও বেশি সদস্য নিয়ে চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সন্দ্বীপ ক্রিকেট একাডেমি** প্রতিষ্ঠা করেছেন আরিফুল আলম (খালেদ), যিনি ২০১৯ সাল থেকে দ্বীপের শিশু-কিশোরদের ক্রিকেট প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
  • 📌 একাডেমিতে শুরুতে ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিল, বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ১৫০-এরও বেশি।
  • 📌 প্রশিক্ষণার্থীরা **বিকেএসপি ভর্তি**, **ঢাকা লিগের প্রথম বিভাগে খেলা**, এবং **জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ** করে সাফল্য অর্জন করছে।
  • 📌 ২০২১ সালে **শেখ রাসেল অনূর্ধ্ব-১১ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে** এবং ২০২৩ সালে **রাজশাহী ক্লেমন টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে** পৌঁছেছে একাডেমির দল।
  • 📌 প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে রয়েছে **৩ বছর বয়সী সিলভিয়া ইসলাম**, যিনি ভবিষ্যতে বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

📰 বিস্তারিত

সন্দ্বীপ দ্বীপের শিশু-কিশোরদের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ ছিল, কিন্তু প্রশিক্ষণের সুযোগ ছিল না। মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার কঠিনতা এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অসুবিধা ছিল তাদের প্রধান বাধা। এই সমস্যার সমাধান করতে ২০১৯ সালে আরিফুল আলম (খালেদ) ‘সন্দ্বীপ ক্রিকেট একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজেও সন্দ্বীপের বাসিন্দা ছিলেন এবং চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ নিয়ে ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন।

আরিফুল বলেন, ‘প্রথম প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করার সময় অনেক স্থানীয় খেলোয়াড়কে দেখেছি যারা বল ও ব্যাটের গ্রিপ, পায়ের পজিশন বা স্টেপ সম্পর্কে ধারণা রাখতেন না। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলার ধার পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে।’ একাডেমিতে প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যাট ও বল ধরার পদ্ধতি, ব্যাটিংয়ের সময় পায়ের অবস্থান, পা ফেলার কৌশল এবং বলের লেংথ বুঝে খেলা শেখানো হয়।

একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ২০২১ সালে **শেখ রাসেল অনূর্ধ্ব-১১ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে** শিরোপা জেতে একাডেমির দল। ২০২৩ সালে তারা **রাজশাহী ক্লেমন টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে** পৌঁছেছিলেন এবং **চাঁদপুরে বিসিবি কাউন্সিলর কাপের ফাইনালেও** খেলেছিলেন। একাডেমির ক্রিকেটার **সাজ্জাদ হোসাইন** ঢাকার কলাবাগান ক্লাবের হয়ে ঢাকা লিগে খেলেছেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে রয়েছে **পাঁচ বছরের সিলভিয়া ইসলাম**, যিনি মাত্র তিন বছর বয়সে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন। তার বাবা হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, ‘সিলভিয়ার ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে প্রশিক্ষণে যুক্ত করেছি। ভবিষ্যতে বিকেএসপিতে ভর্তি করাতে চাই। সন্দ্বীপ থেকেই এই সুযোগ পেয়েছি, যা বড় কথা।’

"প্রথম প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করার সময় অনেক স্থানীয় খেলোয়াড়কে দেখেছি যারা বল ও ব্যাটের গ্রিপ, পায়ের পজিশন বা স্টেপ সম্পর্কে ধারণা রাখতেন না। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলার ধার পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সন্দ্বীপ দ্বীপ, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুল আলম (খালেদ), সাজ্জাদ হোসাইন, সিলভিয়া ইসলাম, হেদায়েতুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ জন (প্রশিক্ষণার্থী), ৩০ জন (প্রশিক্ষণ শুরুতে), ১১ (শেখ রাসেল অনূর্ধ্ব-১১ টুর্নামেন্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖