📌 ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান রাইটস কমিশনার ভল্কার টার্কের নেতৃত্বে ইউনেস্কো কর্মকর্তা মোহাম্মদ এল-শামির মৃত্যুর কারণ জানার দাবি জানিয়েছে। হুথি কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী এল-শামির পরিবারকে সত্য জানানোর পাশাপাশি স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হাতে বন্দী অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান রাইটস কমিশনার (OHCHR) কর্মকর্তা মোহাম্মদ এল-শামির মৃত্যুর কারণ জানার দাবি জানিয়েছে ইউনাইটেড নেশনস। এল-শামি জুন ২০২৪ সাল থেকে হুথি কর্তৃপক্ষের বন্দী ছিলেন। তার পরিবারকে মৃত্যুর খবর সাম্প্রতিককালে জানানো হয়েছিল। ইউনাইটেড নেশনসের সাবেক সচিব-সাধারণ অ্যান্টোনিও গুতেরেসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো কর্মকর্তার মৃত্যুর কারণ জানার জন্য হুথি কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান রাইটস কমিশনার ভল্কার টার্ক বলেছেন, এল-শামির পরিবার “সত্য জানার অধিকার রাখে” এবং হুথি কর্তৃপক্ষকে “পূর্ণ স্বচ্ছতা” প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 টার্কের দাবি, এল-শামির মৃত্যুর জন্য “সরাসরি, স্বাধীন ও গভীর তদন্ত” করা প্রয়োজন।
- 📌 ইউনেস্কো কর্মকর্তা এল-শামি জুন ২০২৪ সাল থেকে হুথি কর্তৃপক্ষের বন্দী ছিলেন। তার সাথে আরও ৬০ জন ইউনেস্কো ও অন্যান্য এনজিও কর্মকর্তা বন্দী ছিলেন।
- 📌 ইউনাইটেড নেশনস সচিব-সাধারণ অ্যান্টোনিও গুতেরেস বলেছেন, এল-শামির মৃত্যুর খবর “অসহ্য” এবং হুথি কর্তৃপক্ষের কাছে মৃত্যুর কারণ জানার জন্য “আবশ্যকীয় জিজ্ঞাসা” করা হয়েছে।
- 📌 এল-শামি মৃত্যুবরণকারী দ্বিতীয় ইউনেস্কো কর্মকর্তা। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) একজন কর্মকর্তা হুথি হাতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
- 📌 বর্তমানে হুথি কর্তৃপক্ষের হাতে ৭২ জন ইউনেস্কো ও এনজিও কর্মকর্তা বন্দী রয়েছে।
- 📌 ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে ইউনেস্কোর ইয়েমেনে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
ইউনাইটেড নেশনসের হিউম্যান রাইটস কমিশনার ভল্কার টার্কের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ এল-শামির পরিবারকে মৃত্যুর কারণ জানানোর দাবি জানানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, “তারা সত্য জানার অধিকার রাখে”। টার্ক আরও দাবি করেছেন, হুথি কর্তৃপক্ষকে “পূর্ণ স্বচ্ছতা” প্রদানের জন্য এবং এল-শামির মৃত্যুর জন্য “সরাসরি, স্বাধীন ও গভীর তদন্ত” করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
এল-শামি জুন ২০২৪ সাল থেকে হুথি কর্তৃপক্ষের বন্দী ছিলেন। তিনি এবং আরও ৬০ জন ইউনেস্কো ও অন্যান্য এনজিও কর্মকর্তা বন্দী ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে “আমেরিকা-ইসরায়েলী চোখের জাল” হিসেবে অভিযোগ করা হয়েছিল। টার্ক বলেছেন, “আমি আরও ৭ জন OHCHR কর্মকর্তার জন্যও গভীর উদ্বেগ অনুভব করছি, যারা এল-শামির সাথে বন্দী ছিলেন এবং এখনও বন্দী রয়েছে। আমি তাদের মুক্তির জন্য আবারও আহ্বান জানাচ্ছি।”
ইউনাইটেড নেশনস সচিব-সাধারণ অ্যান্টোনিও গুতেরেসের একটি আলাদা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি এল-শামির মৃত্যুর খবর “অসহ্য” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি টার্কের দাবি পুনরাবৃত্তি করেছেন এবং হুথি কর্তৃপক্ষের কাছে মৃত্যুর কারণ জানার জন্য “আবশ্যকীয় জিজ্ঞাসা” করার আহ্বান জানিয়েছেন। গুতেরেস বলেছেন, “আমরা তাদের মৃত্যুর কারণ জানার জন্য হুথি কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”
এল-শামি মৃত্যুবরণকারী দ্বিতীয় ইউনেস্কো কর্মকর্তা। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) একজন কর্মকর্তা হুথি হাতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। বর্তমানে হুথি কর্তৃপক্ষের হাতে ৭২ জন ইউনেস্কো ও এনজিও কর্মকর্তা বন্দী রয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে ইউনেস্কোর ইয়েমেনে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। হুথি কর্তৃপক্ষ পূর্বে কিছু বন্দীকে টেলিভিশনে প্রদর্শন করে তাদেরকে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা ও ইসরায়েলের সহযোগী হিসেবে উপস্থাপন করেছিল।
"তারা সত্য জানার অধিকার রাখে"
"পূর্ণ স্বচ্ছতা"
"সরাসরি, স্বাধীন ও গভীর তদন্ত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ এল-শামি (OHCHR কর্মকর্তা), ভল্কার টার্ক (UN হিউম্যান রাইটস কমিশনার), অ্যান্টোনিও গুতেরেস (UN সচিব-সাধারণ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ জন বন্দী ইউনেস্কো/এনজিও কর্মকর্তা, ৬০ জন বন্দী কর্মকর্তা (জুন ২০২৪), ২ জন মৃত্যুবরণকারী ইউনেস্কো কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!