📌 ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি
ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করতে সরকার ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল বা সিড মানি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে নবগঠিত ১৪টি ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করতে ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
- 📌 দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর
- 📌 সিড মানির ৭৫ শতাংশ সরাসরি ফেডারেশনগুলোকে দেওয়া হবে
- 📌 প্রতিটি ফেডারেশনকে বছরে অন্তত চারটি জাতীয় টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হবে
- 📌 আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
📰 বিস্তারিত
ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করতে সরকার ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ক্রীড়াঙ্গনে দল নির্বাচনে স্বজনপ্রীতি, বিদেশ সফরে কর্মকর্তাদের প্রেরণ এবং আর্থিক অস্বচ্ছতার মতো অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান। দুর্নীতি বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কেউ প্রমাণসহ ধরা পড়লে শুধু সাংগঠনিক শাস্তিতেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে না, বরং দেশের প্রচলিত কঠোর আইনগত ব্যবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে।’ তিনি আরও জানান, অনুমোদিত সিড মানি বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী ফেডারেশনগুলোর মধ্যে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে।
তহবিল থেকে পাওয়া বার্ষিক লভ্যাংশের ৭৫ শতাংশ সরাসরি ফেডারেশনগুলোকে দেওয়া হবে। সেই অর্থ দিয়ে ফুটবল, হকি, আর্চারি, শুটিংসহ নিজ নিজ খেলার নিয়মিত কার্যক্রম ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। লভ্যাংশের অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ মূল তহবিলে পুনর্বিনিয়োগ করতে হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন প্রায় ৫০ কোটি টাকা সিড মানি পেতে পারে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা হকির ফেডারেশনেরও বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফেডারেশনভিত্তিক অর্থের পরিমাণ জানাবে।
এছাড়া প্রতিটি ফেডারেশনকে জাতীয় পর্যায়ে বছরে অন্তত চারটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনসহ অন্তত তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘আইন সবার জন্য সমান। দুর্নীতি কিংবা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কেউ প্রমাণসহ ধরা পড়লে শুধু সাংগঠনিক শাস্তিতেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে না, বরং সরাসরি দেশের প্রচলিত কঠোর আইনগত ব্যবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিনুল হক, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা, ৭৫ শতাংশ, ২৫ শতাংশ, ৫০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!