📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিবাহ নিবন্ধন ডিজিটালে: একাধিক বিয়ে থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন ব্যবস্থা

বিবাহ নিবন্ধন ডিজিটালে: একাধিক বিয়ে থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন ব্যবস্থা

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এই ব্যবস্থায় বাল্যবিবাহ, একাধিক বিয়ে এবং বৈবাহিক বিরোধ নিরসনে সহায়তা হবে বলে জানানো হয়েছে

বাংলাদেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ, একাধিক বিয়ে, তথ্য গোপনকরণ এবং বৈবাহিক বিরোধের মতো সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকার একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরি করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিজিটাল বিবাহ নিবন্ধন চালু হবে, যা বাল্যবিবাহ ও একাধিক বিয়ে প্রতিরোধে সহায়তা করবে
  • 📌 কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষিত হবে দেশের সকল বৈবাহিক তথ্য, যা এনআইডি ও পাসপোর্টের সাথে যুক্ত হবে
  • 📌 বৈবাহিক বিরোধ নিরসনে অনলাইন রেকর্ডের মাধ্যমে ২০-৫০ বছর পরও তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে
  • 📌 হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত ডিসেম্বর থেকে বিবাহ নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন কাজ চলছে

📰 বিস্তারিত

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার বৈবাহিক তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে। এতে কোনো এলাকায় বাল্যবিবাহ বা একাধিক বিয়ে হচ্ছে কিনা তা সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

আইনমন্ত্রী জানান, তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করা প্রতিরোধে অনলাইন নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি এক জায়গায় বিয়ে করে অন্য জায়গায় গিয়ে আবার বিয়ে করার চেষ্টা করে, তবে অনলাইনে তার পূর্বের বৈবাহিক তথ্য দেখা যাবে। এতে আগের স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া পরবর্তী বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে।

বৈবাহিক বিরোধ নিরসনে আইনমন্ত্রী বলেন, অনলাইন রেকর্ডের মাধ্যমে ২০-৫০ বছর পরও কে কার স্ত্রী বা সন্তান তা সহজে যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে মিথ্যা দাবি বা উত্তরাধিকার বিষয়ে বিরোধ কমবে। তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য এনআইডি ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত করা হবে।

"বিবাহের রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে থাকলে ভবিষ্যতে কেউ মিথ্যা দাবি করতে পারবে না। ২০-৫০ বছর পরও অনলাইন রেকর্ড থাকায় কে কার স্ত্রী বা সন্তান তা সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে।"

আইনমন্ত্রী বলেন, এই পরিকল্পনা সরকারের একটি মহাপরিকল্পনা। আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সাব-রেজিস্ট্রার ও নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ডিসেম্বর হাইকোর্টের নির্দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন কাজ শুরু হয়েছিল।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, ২০-৫০ বছর পরও তথ্য যাচাইযোগ্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖