📌 ২২ বছর বয়সী জাপানি-বংশোদ্ভূত ফুটবলার শুকি ইতোফুসা বাংলাদেশের ফর্টিস ক্লাবের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে লাল-সবুজের মাঠে জাপানের শৃঙ্খলা নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর। বাবা বাংলাদেশি, মা জাপানি এই তরুণ ফুটবলার বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও জাতীয় দলের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন।
২২ বছর বয়সী জাপানি-বংশোদ্ভূত ফুটবলার শুকি ইতোফুসা বাংলাদেশের ফর্টিস ক্লাবের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে লাল-সবুজের মাঠে জাপানের শৃঙ্খলা নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে অগ্রসর। এই তরুণ ফুটবলার বাবা বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের আতাউর রহমান এবং মা জাপানি শিজু ইতোফুসা। জাপানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা শুকি এবার প্রথমবারের মতো পেশাদার ফুটবলে বাংলাদেশের শীর্ষ লিগে অংশগ্রহণ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ বছর বয়সী শুকি ইতোফুসা ফর্টিস ক্লাবের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজের মাঠে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে যাত্রা শুরু করছেন
- 📌 শুকির বাবা বাংলাদেশি (নারায়ণগঞ্জের আতাউর রহমান) এবং মা জাপানি (শিজু ইতোফুসা), জন্ম ও বেড়ে ওঠা জাপানে
- 📌 শুকি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও জাতীয় দলের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন, কোচ টমাস ডুলি তাকে জাতীয় দলের সম্ভাব্য খেলোয়াড় হিসেবে দেখছেন
- 📌 ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার শুকি দুই উইংয়ে খেলতে পারেন, জাপানের এম্পেররস কাপে গোল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে
- 📌 ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাস করছেন শুকি ভালো পারফর্ম করলে দূর পর্যন্ত যেতে পারেন
📰 বিস্তারিত
চার দিন আগে ঢাকায় আসা শুকি প্রথম পরিচয়েই ভাষার বাধা অনুভব করেন। বাংলা বা ইংরেজি জানেন না তিনি। তবে প্রযুক্তির সাহায্যে এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়। চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে শুকি বাংলা ও জাপানি ভাষার মধ্যে অনুবাদ করে আলাপচারিতা চালিয়ে যান। নিজের নামের অর্থ জানিয়ে বলেন, জাপানি শব্দ ‘শুকি’র অর্থ আনন্দ বা সুখের প্রতীক। শুকির চুল রুপালি-সোনালি রঙে রাঙানো।
শুকির ফুটবল যাত্রার শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ দেখে। জাপানে বেসবল সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও শুকির স্বপ্ন ছিল ফুটবল। জাপানের ৫ম স্তরের ক্লাব টোকিও ২৩ এফসি ও ব্রিউ সাগার ক্লাবের হয়ে তিনি খেলেছেন। জাপানের এম্পেররস কাপে গোল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। চলতি বছরে লাওসের শীর্ষ লিগের দল সাভান্নাখেত জিলোস এফসিতে চুক্তিবদ্ধ হলেও ম্যাচ খেলেননি।
ফর্টিসে আসার পর শুকি দ্রুত ক্লাবের অনুশীলনে জড়িয়ে পড়েছেন। স্থানীয় খাবারের মধ্যে ফুচকা তাঁর পছন্দ। অবসর সময়ে টেবিল টেনিস খেলেন এবং সাওনায় সময় কাটান। পছন্দের ফুটবলারদের তালিকায় রয়েছে ব্রাজিলের নেইমার, জাপানের ইউতো নাগাতোমো ও শিনজি কাগাওয়া।
"বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলি আমাকে বলেছেন, তিনি আমার খেলা দেখতে চান এবং ভালো পারফর্ম করলে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ আসবে। আমি সেই সুযোগ লুফে নিতে চাই।"
শুকির বাংলাদেশি যোগসূত্রের গল্প শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। সে বছর প্রথমবারের মতো জাপানে ঘুরতে গিয়েছিলেন আতাউর রহমান। পরে সেখানে স্থায়ী হন এবং ২০০০ সালে জাপানি নাগরিক শিজু ইতোফুসাকে বিয়ে করেন। তাদের তিন মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে শুকি তৃতীয় সন্তান। বর্তমানে আতাউর জাপানে ব্যবসা করছেন। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে শুকির বাবা উচ্ছ্বাসে বলেন, “সব মা-বাবাই চান, সন্তান জীবনে ভালো কিছু করুক। আমিও চাই শুকি বাংলাদেশে ভালো খেলুক।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ফর্টিস ক্লাব ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুকি ইতোফুসা, আতাউর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, টমাস ডুলি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর, ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি, ১০০ ফুট রাস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!