📌 ফিফা ফুটবলের দু’জন সাবেক সভাপতিকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। এর মধ্যে মালদ্বীপের সাবেক সভাপতি বাসাম আদিল জলিল করোনা ত্রাণ অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগে শাস্তি পেয়েছেন। অন্যদিকে মন্টসেরাটের সাবেক সভাপতি ভিনসেন্ট ক্যাসেলের বিরুদ্ধে পদের অপব্যবহার ও তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে
ফিফা ফুটবলের দু’জন সাবেক সভাপতিকে আজীবন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি বাসাম আদিল জলিলকে করোনা ত্রাণ তহবিলের অর্থ ব্যক্তিগত স্বার্থে অপব্যবহারের দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মন্টসেরাটের দীর্ঘদিনের ফুটবল প্রধান ভিনসেন্ট ক্যাসেলের বিরুদ্ধে পদের অপব্যবহার, স্বার্থের সংঘাত এবং ফিফা তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিফা মালদ্বীপের সাবেক সভাপতি বাসাম আদিল জলিলকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে, কারণ তিনি করোনা ত্রাণ তহবিলের ১২ লাখ ডলার দিয়ে ফ্ল্যাট কেনেছিলেন।
- 📌 জলিলের বিরুদ্ধে আদালত করোনা ত্রাণ অর্থের অপব্যবহারের মামলায় ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে, কিন্তু ফিফা তার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
- 📌 মন্টসেরাটের সাবেক সভাপতি ভিনসেন্ট ক্যাসেলকে ৩০ বছরের দীর্ঘকালীন দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পরও ফিফা ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার জরিমানা এবং ১৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
- 📌 ক্যাসেলের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের নির্বাচনী ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
- 📌 ফিফা মালদ্বীপের সাবেক অর্থ পরিচালক মোহাম্মদ আকিলকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ১ লাখ ২৩ হাজার ডলার জরিমানা করেছে।
📰 বিস্তারিত
ফিফা গত শুক্রবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি বাসাম আদিল জলিলকে ফুটবলের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। জলিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি করোনা মহামারির সময় ফিফা থেকে প্রদত্ত ১২ লাখ ডলার ত্রাণ তহবিলের অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যবহার করেছিলেন। এই অর্থ স্থানীয় ফুটবল ক্লাবগুলোর জন্য বরাদ্দ ছিল।
ফিফা জানিয়েছে, মন্টসেরাটের সাবেক ফুটবল প্রধান ভিনসেন্ট ক্যাসেলের বিরুদ্ধে ‘পদের অপব্যবহার, স্বার্থের সংঘাত এবং ফিফা ও ফেডারেশনের তহবিল অপব্যবহারের’ অভিযোগ রয়েছে। ক্যাসেল ৩০ বছর ধরে মন্টসেরাট ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। গত বছর ডিসেম্বরে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করেন। ফিফা আরও জানায়, ক্যাসেলের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের নির্বাচনী ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। সেই ঘটনায় তিনি কাতারের মোহাম্মদ বিন হাম্মামের বিরুদ্ধে সেপ ব্ল্যাটারের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪০ হাজার ডলার করে ঘুষ দিয়েছিলেন।
ফিফা জানিয়েছে, ক্যাসেলের বিরুদ্ধে ‘অনুপযুক্ত লেনদেন থেকে সুবিধা নেওয়া ও তাতে সহায়তা করা’, পদের অপব্যবহার এবং তহবিল তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। ফিফা তাকে ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার জরিমানা এবং ১৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। অন্যদিকে, ক্যাসেলের সহযোগী তানদিকা হিউজকে ১৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ১ লাখ ৮৪ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
মালদ্বীপের সাবেক অর্থ পরিচালক মোহাম্মদ আকিলের বিরুদ্ধে ফিফা তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ১ লাখ ২৩ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, আকিলের বিরুদ্ধে গোপন তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
"ফিফা করোনা ত্রাণ তহবিলের অর্থ ব্যক্তিগত স্বার্থে অপব্যবহারের দায়ে মালদ্বীপের সাবেক সভাপতি বাসাম আদিল জলিলকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালদ্বীপ, মন্টসেরাট, কাতার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাসাম আদিল জলিল, ভিনসেন্ট ক্যাসেল, তানদিকা হিউজ, মোহাম্মদ আকিল, মোহাম্মদ বিন হাম্মাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (ক্যাসেলের দায়িত্বকাল), ১২ লাখ ডলার (ফ্ল্যাট কেনার অর্থ), ২৩ বছর (কারাদণ্ড), ৪০ হাজার ডলার (ঘুষ), ১৫০ কোটি ডলার (করোনা ত্রাণ তহবিল), ২০ লাখ ডলার (বিশ্বকাপ আয়োজনের লভ্যাংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!