📌 ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা করার পর চীনে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন। রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইলে চীনা ফুটবলপ্রেমীরা প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে এবং এমবাপ্পের বাণিজ্যিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
ফুটবলের বিশ্ব তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা করার পর চীনে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন। এই ঘটনায় রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছে। চীনের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরও এমবাপ্পের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্লাবের জার্সি বিক্রয়েও প্রভাব পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ বছর বয়সী ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা করে চীনে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন।
- 📌 এমবাপ্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে চীনা ফুটবলপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন এবং ক্লাবের জার্সি বিক্রয় বন্ধ হয়ে যায়।
- 📌 ১৫ বারের ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় এমবাপ্পে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইলে রিয়াল মাদ্রিদও তাঁর পাশে দাঁড়ায়।
- 📌 চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়ে রিয়াল মাদ্রিদের দীর্ঘদিনের সহনশীলতার প্রতি সমালোচনা করা হয়েছে।
- 📌 এমবাপ্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে এবং তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
📰 বিস্তারিত
ফুটবল মাঠে কিলিয়ান এমবাপ্পের জাদুতে মুগ্ধ চীনের লাখ লাখ মানুষ। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা করার পর তিনি চীনে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন। ফ্রান্সের অনুষ্ঠান ‘দ্য ব্রিজ’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে একটি মিম নিয়ে কথা বলেন, যেখানে তাঁর মুখ বসানো হয়েছিল এমন একজন ব্যক্তির ছবিতে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘সম্ভবত চীনের কোনো স্বৈরশাসক’। এই মন্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল মাও সে তুংয়ের দিকে।
চীনে মাও সে তুংকে নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রূপ করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ইতিহাসবিদদের মতে, তাঁর শাসনামলে নেওয়া নীতির কারণে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এমবাপ্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে চীনা ফুটবলপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন। এমবাপ্পে মঙ্গলবার ফরাসি, চীনা ও ইংরেজি ভাষায় ক্ষমা চান। তিনি বলেন, ‘আমার মন্তব্যটি ছিল অবিবেচনাপ্রসূত। এখন বুঝতে পারছি, এতে চীনের এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী চীনা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ কষ্ট পেয়েছেন।’
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে ক্ষমা চেয়েছেন, আমরা সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি।’ তবে ক্ষমা চাইলেও সবকিছু আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা সিএমজি ইতিমধ্যে লা লিগার ম্যাচ সম্প্রচার স্থগিত করেছে। লা লিগা কর্তৃপক্ষও মন্তব্যে চীনা সমর্থকেরা যে কষ্ট পেয়েছেন, তাতে তারা গভীরভাবে দুঃখিত বলে জানিয়েছে।
"আমার মন্তব্যটি ছিল অবিবেচনাপ্রসূত। এখন বুঝতে পারছি, এতে চীনের এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী চীনা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ কষ্ট পেয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন, ফ্রান্স, বেইজিং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাও সে তুং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর, ১৫ বার, ১০ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!