📌 বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নেপালি খেলোয়াড়দের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাফ কোটায় ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জন নেপালি খেলোয়াড় নিবন্ধিত হয়েছে। বসুন্ধরা কিংস, ফর্টিস, ঢাকা ওয়ান্ডারার্সসহ বেশ কয়েকটি ক্লাব নেপালি খেলোয়াড় নিয়েছে
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুমে নেপালি খেলোয়াড়দের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নতুন মৌসুমে সাফ অঞ্চলের খেলোয়াড়দের দিকে ক্লাবগুলো বেশি ঝুঁকেছে। সাফ কোটায় নিবন্ধিত ১৯ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৪ জনই নেপালের ফুটবলার। এছাড়াও, সাফ কোটা কমলেও এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে মোট ৬৫ জন বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধিত, এর মধ্যে ১৯ জন সাফ কোটায় — ১৪ জন নেপালি
- 📌 গত মৌসুমে সাফ কোটায় সর্বোচ্চ ৫ জন খেলোয়াড় নিতে পারত, এবার তা কমিয়ে ৩ জন করা হয়েছে
- 📌 গত মৌসুমে ১০টি ক্লাব থেকে বেড়ে এবার ১৩টি ক্লাবে সাফ কোটার খেলোয়াড় নেওয়া হয়েছে
- 📌 বসুন্ধরা কিংস এবার তিনজন নেপালি খেলোয়াড় নিয়েছে — অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি ও রহিত চাঁদ
- 📌 নেপালের ফরোয়ার্ড অঞ্জন বিস্তা, মিডফিল্ডার আরিক বিস্তা ও ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং ফর্টিসে খেলবেন
- 📌 মোহামেডান সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় নেয়নি, বিদেশি কোটায় মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে ও নাইজেরিয়ার দুজনকে নিয়েছে
- 📌 ঢাকা আবাহনী সাফ কোটায় পাকিস্তানের মইন আহমেদ ও বিদেশি কোটায় নাইজেরিয়ার মাইকেল বাবাতুন্দেকে নিয়েছে
- 📌 নেপালি খেলোয়াড়দের তুলনামূলক কম টাকায় পাচ্ছে ক্লাবগুলো, ফলে তারা বেশি আগ্রহী হচ্ছে বাংলাদেশে খেলতে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুমে সাফ অঞ্চলের খেলোয়াড়দের দিকে ক্লাবগুলো বেশি ঝুঁকেছে। সাফ কোটায় নিবন্ধিত ১৯ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৪ জনই নেপালের ফুটবলার। গত মৌসুমে সাফ কোটায় সর্বোচ্চ ৫ জন খেলোয়াড় নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও এবার স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাবি মেনে সেটি কমিয়ে ৩ জন করা হয়েছে। তবে, এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বেড়েছে। গত মৌসুমে লিগের প্রথম পর্বের জন্য সাফ কোটায় ১১ জন (৮ জন নেপালি) নিবন্ধিত হয়েছিল। এবার তা সাতজন বেড়েছে।
বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগে ক্লাবের সংখ্যা গতবারের ১০টি থেকে বেড়ে এবার ১৩টি হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি ক্লাব সাফ কোটার খেলোয়াড় নিয়েছে। বসুন্ধরা কিংস, যারা গত মৌসুমে সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় নেয়নি, এবার তিনজন নেপালি খেলোয়াড় দলে নিয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে নেপাল জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি ও ডিফেন্ডার রহিত চাঁদ। এছাড়াও, তারা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস দা সিলভা ও নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড ওবুগহ এমেকাকে নিয়েছে।
মোহামেডান সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় নেয়নি, কিন্তু বিদেশি কোটায় তারা মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে ও নাইজেরিয়ার দুজন খেলোয়াড়কে দলে ফিরিয়েছে। উজবেকিস্তানের মোজাফফরভকে রেখে দিয়েছে সাদা–কালোরা। ফর্টিস এফসি, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, রহমতগঞ্জ ও চট্টগ্রাম সিটি ক্লাব সাফ কোটায় নেপালের দুজন করে খেলোয়াড় নিয়েছে। ব্রাদার্স, সিটি ক্লাব ও পিডব্লিউডি একজন করে নেপালি খেলোয়াড় নিয়েছে।
জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলি বলেছেন, ‘নেপালের ফুটবলারদের তুলনামূলক কম টাকায় পাচ্ছে ক্লাবগুলো। আবার নেপালিরা এখানে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন নিজেদের দেশের চেয়ে। ফলে ওরাও আগ্রহী হচ্ছে বাংলাদেশে খেলতে।’
"নেপালের ফুটবলারদের তুলনামূলক কম টাকায় পাচ্ছে ক্লাবগুলো। আবার নেপালিরা এখানে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন নিজেদের দেশের চেয়ে। ফলে ওরাও আগ্রহী হচ্ছে বাংলাদেশে খেলতে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্লাব (ঢাকা, চট্টগ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদ হাসান এমিলি, অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি, রহিত চাঁদ, রবসন রবিনহো, জেসুস দা সিলভা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ জন (মোট বিদেশি খেলোয়াড়), ১৯ জন (সাফ কোটা), ১৪ জন (নেপালি খেলোয়াড়), ১৩টি (ক্লাব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!