📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবলে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১০-০ পরাজয়: মিলি আক্তার গোলপোস্টে দীর্ঘদিন দাঁড়ালেন

এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবলে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১০-০ পরাজয়: মিলি আক্তার গোলপোস্টে দীর্ঘদিন দাঁড়ালেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এশিয়ান গেমসের ‘এফ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল ১০-০ গোলে পরাজিত হয়। মিলি আক্তার গোলপোস্টে পুরো ম্যাচ দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরাজয় এটিই

এশিয়ান গেমসের ‘এফ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরাজয় স্বীকার করেছে। নাগাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশ ১০-০ গোলে হেরেছে। মিলি আক্তার গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচের ৯০ মিনিট দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে থাকেন। এই পরাজয় বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার হিসেবে রেকর্ডে যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০-০ গোলে পরাজিত বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল এশিয়ান গেমসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরাজয় স্বীকার করেছে।
  • 📌 মিলি আক্তার গোলপোস্টের নিচে পুরো ম্যাচ দাঁড়িয়ে থাকেন।
  • 📌 জন রিয়ং জং জোড়া গোল করে, চে আন ইয়ংকিম কিয়ং ইয়ং যথাক্রমে ৩ ও ২ গোল করে।
  • 📌 উত্তর কোরিয়া ২১টি গোলমুখে শট নেয়, বাংলাদেশের কোনো গোলমুখে শট না পড়ে।
  • 📌 বল দখলে বাংলাদেশের মাত্র ২৭ শতাংশ, উত্তর কোরিয়ার ৭৩ শতাংশ।
  • 📌 কোচ পিটার বাটলারের একাদশে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অভাব ছিল।
  • 📌 ২০১৩ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৯-০ গোলে হেরে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরাজয় ছিল। এবার ১০-০ গোলে নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপিয়ে দিতে শুরু করে। পঞ্চম মিনিটেই জন রিয়ং জং গোল করেন। তারপর ১০ মিনিটে আবার একই খেলোয়াড় গোল করে। ১২ মিনিটে হাং ইউ ইয়ংয়ের গোলের পর ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। প্রথমার্ধের শেষের দিকে চে আন ইয়ং জোড়া গোল করে, যার ফলে স্কোরলাইন হয় ৫-০। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কিম কিয়ং ইয়ং জোড়া গোল করে, যার ফলে স্কোরলাইন হয় ৭-০।

বিরতির পরও উত্তর কোরিয়া থামেনি। ৫১ মিনিটে রি সং আ এবং ৬০ মিনিটে বদলি জং কুমের গোল করে, যার ফলে স্কোরলাইন হয় ৯-০। শেষ মুহূর্তে ৯০ মিনিটে হান জিন হং কর্তৃক দশম গোল হয়। বাংলাদেশের অসহায়ত্বের সাক্ষী হয় ম্যাচের পরিসংখ্যান। উত্তর কোরিয়া গোলমুখে শট নিয়েছে ২১টি, বাংলাদেশের কোনো গোলমুখে শট পড়েনি। বল দখলেও বাংলাদেশের অবস্থা ছিল খারাপ। উত্তর কোরিয়ার ৭৩ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে বাংলাদেশের মাত্র ২৭ শতাংশ বল দখল ছিল।

কোচ পিটার বাটলারের একাদশে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অভাব ছিল। ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও শামসুন্নাহার সিনিয়রদের শুরু একাদশে ছিল না। তরুণদের নিয়ে গঠিত এই দলটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আরও বেশি চাপে পড়ে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭, যেখানে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান ১১। গত মার্চে এশিয়ান কাপেও বাংলাদেশ উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল। এবার সেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

"গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচের ৯০ মিনিট দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এই পরাজয় বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাগাই স্টেডিয়াম, এশিয়ান গেমস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলি আক্তার, জন রিয়ং জং, চে আন ইয়ং, কিম কিয়ং ইয়ং, কোচ পিটার বাটলার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-০ (গোল), ২১ (গোলমুখে শট), ২৭% (বল দখল), ৭৩% (বল দখল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖