📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি ল্যাবরেটরিজের স্থায়ী সম্পদে ৮১ কোটি টাকার বৃদ্ধি, নিট ৮০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি ল্যাবরেটরিজের স্থায়ী সম্পদে ৮১ কোটি টাকার বৃদ্ধি, নিট ৮০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজের স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়নে ৮০ কোটি টাকার নিট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি কোম্পানির ব্যবসায়িক আয় বা নগদ প্রবাহে সরাসরি প্রভাব ফেলেনি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। কোম্পানির সম্পত্তি, প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতির মূল্য পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে ৮০ কোটি ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ২০৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি কোম্পানির ব্যবসায়িক আয় বা নগদ প্রবাহে সরাসরি কোনো পরিবর্তন আনেনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮০ কোটি টাকার নিট বৃদ্ধি পেয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজের স্থায়ী সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে
  • 📌 ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভায় পুনর্মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদিত হয়
  • 📌 চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান এম এম রহমান অ্যান্ড কোং স্বাধীন মূল্যনির্ধারক হিসেবে পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে
  • 📌 ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুনর্মূল্যায়নের ফলে সম্পদের মোট মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৮১ কোটি ২৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯৮ টাকা
  • 📌 ৯৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯২ টাকা কিছু সম্পদের মূল্য কমার কারণে নিট বৃদ্ধি ৮০ কোটি ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ২০৬ টাকা
  • 📌 পুনর্মূল্যায়নের উদ্বৃত্ত ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানির সম্পত্তি, প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতির পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রমে নিট মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৮০ কোটি ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ২০৬ টাকা। তবে এই বৃদ্ধি কোম্পানির ব্যবসায়িক আয় বা নগদ প্রবাহে সরাসরি কোনো পরিবর্তন আনেনি।

গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভায় স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদিত হয়। পরদিন মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান এম এম রহমান অ্যান্ড কোং। প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীন মূল্যনির্ধারক হিসেবে কাজ করেছে। তবে পুনর্মূল্যায়নের আওতায় কোম্পানির আসবাবপত্র ও ফিক্সচার রাখা হয়নি।

২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুনর্মূল্যায়নের ফলে কোম্পানির স্থায়ী সম্পদের মূল্য বেড়েছে ৮১ কোটি ২৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯৮ টাকা। অন্যদিকে, কিছু সম্পদের মূল্য কমেছে ৯৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯২ টাকা। এই দুই অঙ্কের সমন্বয়ে নিট মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ কোটি ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ২০৬ টাকা। পুনর্মূল্যায়নের উদ্বৃত্ত ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

"স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পদের বর্তমান মূল্য সম্পর্কে আর্থিক বিবরণীতে আরও হালনাগাদ ধারণা দিতে পারে। সময়ের সঙ্গে জমি, ভবন, কারখানার স্থাপনা ও উৎপাদনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সম্পদের বাজারমূল্য পরিবর্তিত হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এম এম রহমান (চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ কোটি ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ২০৬ টাকা (নিট বৃদ্ধি), ২৬ অক্টোবর (পর্ষদ সভা), ৩০ জুন (অর্থবছর সমাপ্তি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖