📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের শেয়ারবাজার ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে: ৩০ লাখ কোটি রুপি ধসের পথে নিফটি ৫০

ভারতের শেয়ারবাজার ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে: ৩০ লাখ কোটি রুপি ধসের পথে নিফটি ৫০

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের শেয়ারবাজারে চলতি বছরে ৩০ লাখ কোটি রুপি ধসের মুখে পড়েছে। নিফটি ৫০ সূচক ১৪ শতাংশ পতনের মুখে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩২ বিলিয়ন ডলার প্রত্যাহার করেছে। আইটিসি, মারুতি সুজুকি, এইচডিএফসি সহ ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে

ভারতের শেয়ারবাজার ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে পৌঁছেছে। ব্যাপক বিক্রির চাপে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি রুপি কমে গেছে। নিফটি ৫০ সূচক ১৪ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে এবং ১৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বার্ষিক ধসের সম্ভাবনা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতের শেয়ারবাজারে ৩০ লাখ কোটি রুপি ধসের মুখে পড়েছে — ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থা
  • 📌 নিফটি ৫০ সূচক ১৪ শতাংশ পতনের মুখে, ১৮ বছরের মধ্যে সর্বাধিক বার্ষিক ধসের সম্ভাবনা
  • 📌 বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩২ বিলিয়ন ডলার (৩ লাখ কোটি রুপি) প্রত্যাহার করেছে
  • 📌 ৫০টি নিফটি কোম্পানির মধ্যে ৩৮টির শেয়ারদর কমেছে, এর মধ্যে ২৫টির পতন ১০ শতাংশের বেশি
  • 📌 আইটিসির শেয়ারদর ৩৬ শতাংশ, মারুতি সুজুকির ৩৪ শতাংশ পতনের মুখে
  • 📌 মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ শেয়ারগুলোর মধ্যে কেপিআইটি টেকনোলজিসের ৫৪ শতাংশ, কেকেইসি ইন্টারন্যাশনালের ৫৬ শতাংশ পতন
  • 📌 ২০২৪ সালের বাজেটে শেয়ার বিক্রি থেকে মুনাফার করহার বাড়ানো বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাহারকে ত্বরান্বিত করেছে

📰 বিস্তারিত

ভারতের শেয়ারবাজার চলতি বছরে ব্যাপক ধসের মুখে পড়েছে। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি রুপি কমে গেছে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে যে, ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর এবারই কি ভারতের শেয়ারবাজার সবচেয়ে খারাপ বছরের মুখে পড়তে যাচ্ছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজারের বর্তমান অবস্থা সেই আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

চলতি বছরে ভারতের প্রধান শেয়ারসূচক নিফটি ৫০ প্রায় ১৪ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে। বাজারের তথ্য অনুযায়ী, এই ধারা অব্যাহত থাকলে নিফটি ৫০ সূচক অন্তত ১৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতনের মুখে পড়তে পারে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া বাদে চলতি বছর বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে ভারত।

ব্যাপক বিক্রির চাপে শেয়ারদর ধসের মুখে পড়েছে। নিফটি ৫০ সূচকের অন্তর্ভুক্ত ৫০টি কোম্পানির মধ্যে ৩৮টির শেয়ারদর চলতি বছরে কমেছে। এর মধ্যে ২৫টির শেয়ারদর কমেছে ১০ শতাংশের বেশি। আইটিসির শেয়ারদর ৩৬ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে, মারুতি সুজুকির শেয়ারদর কমেছে ৩৪ শতাংশ। জিও ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও এইচডিএফসি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর প্রায় ৩১ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, এইচডিএফসি ব্যাংকের শেয়ারদর কমেছে ৩০ শতাংশ।

মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ শেয়ারগুলোর অবস্থাও খারাপ। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ সূচক প্রায় ৮ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে। সর্বশেষ সপ্তাহেই সূচকটি ৬ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছে। কেপিআইটি টেকনোলজিসের শেয়ারদর কমেছে ৫৪ শতাংশ, আদিত্য বিড়লা ফ্যাশন অ্যান্ড রিটেইলের ৫০ শতাংশ এবং পিবি ফিনটেকের ৪৪ শতাংশ। ছোট মূলধনি কোম্পানির শেয়ারেও একই ধরনের ধস দেখা গেছে। কেকেইসি ইন্টারন্যাশনালের শেয়ারদর কমেছে ৫৬ শতাংশ, ইনক্স উইন্ডের ৫২ শতাংশ এবং জুপিটার ওয়াগনসের ৪৯ শতাংশ।

বাজারে দরপতনের ব্যাপকতা বোঝা যায় সর্বশেষ সপ্তাহের পরিসংখ্যানেও। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ ও নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ সূচকের অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ছয়টি শেয়ার সর্বশেষ সপ্তাহে ইতিবাচক অবস্থানে থেকে লেনদেন শেষ করেছে।

"শেয়ার থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর বেশি কর, মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তন এবং কর-দায় নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ বাড়াচ্ছে।"

গিওটাস ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রম সুব্বুরাজ এনডিটিভিকে বলেছেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ব্যয় বাড়িয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটে নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত শেয়ার বিনিয়োগ থেকে অর্জিত দীর্ঘমেয়াদি মূলধনি মুনাফার করহার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি মূলধনি মুনাফার করহার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা অর্জনের পর বিনিয়োগকারীদের হাতে আগের তুলনায় কম অর্থ থাকছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারতের শেয়ারবাজার (বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্রম সুব্বুরাজ (গিওটাস ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ লাখ কোটি রুপি (বাজারমূল্য ধস), ১৪ শতাংশ (নিফটি ৫০ পতন), ৩২ বিলিয়ন ডলার (বিদেশি প্রত্যাহার), ৩৮টি (কোম্পানি শেয়ার কমেছে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖