📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের লাইসেন্সিং নিয়ন্ত্রণে তিন দশকের পুরোনো বিধিমালা হালনাগাদ করছে। কমিটি গঠন করে ৩০ দিনের মধ্যে নতুন নিয়ম প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। নতুন বিধিমালায় লাইসেন্সের যোগ্যতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগকারীদের প্রতি ফিডুশিয়ারি দায়িত্বের সুস্পষ্টতা নিশ্চিত করা হবে
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ১৯৯৬ সালের বিধিমালা হালনাগাদ করছে। প্রায় তিন দশক পুরোনো এই বিধিমালা আজকের প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ও আর্থিক পণ্যের বৈচিত্র্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছরের পুরোনো বিধিমালা হালনাগাদ: বিএসইসি ১৯৯৬ সালের মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার বিধিমালা হালনাগাদের উদ্যোগ নিচ্ছে।
- 📌 ৪ সদস্যের কমিটি গঠন: কমিটি গঠন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন নিয়ম প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে।
- 📌 লাইসেন্সের যোগ্যতা স্পষ্ট: মার্চেন্ট ব্যাংকার হিসেবে লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আর্থিক সক্ষমতা, পেশাগত দক্ষতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে।
- 📌 বিনিয়োগকারীদের ফিডুশিয়ারি দায়িত্ব: মার্চেন্ট ব্যাংকারদের বিনিয়োগকারীদের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহির নিয়ম আরও সুস্পষ্ট করা হবে।
- 📌 নতুন আর্থিক পণ্যের অন্তর্ভুক্তি: করপোরেট ফাইন্যান্স, সুকুক, এসএমই প্ল্যাটফর্মসহ নতুন আর্থিক পণ্যগুলোকে বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ১৯৯৬ সালের বিধিমালা হালনাগাদের উদ্যোগ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বর্তমান সময়ের পুঁজিবাজারের আকার, বিনিয়োগের ধরন ও আর্থিক পণ্যের বৈচিত্র্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে তোলা।
বিএসইসি একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে কমিশনের পরিচালক মো. মাহমুদুল হককে নিযুক্ত করা হয়েছে। অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, সহকারী পরিচালক অমিত কুমার সাহা এবং সহকারী পরিচালক মেহরান আলী। মেহরান আলীকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন বিধিমালার প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের বিধিমালা থেকে বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের কার্যক্রম শুধু ইস্যু ব্যবস্থাপনা বা আন্ডাররাইটিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তারা করপোরেট ফাইন্যান্স, পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, সুকুক, এসএমই প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন আর্থিক পণ্যে জড়িত। ফলে পুরোনো বিধিমালা বর্তমান সময়ের সব ধরনের কার্যক্রম ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
বিএসইসির ওয়েবসাইটে সর্বশেষ ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত বিধিমালা হালনাগাদ করা হয়েছিল। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ঝুঁকিভিত্তিক কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। নতুন বিধিমালায় লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা, আর্থিক সক্ষমতা, পরিচালন সক্ষমতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মানদণ্ড স্পষ্ট করা হবে। বিশেষ করে ফুল-ফ্লেজড মার্চেন্ট ব্যাংকারদের জন্য আলাদা সক্ষমতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে।
বিনিয়োগকারীদের প্রতি মার্চেন্ট ব্যাংকারদের ফিডুশিয়ারি দায়িত্বও নতুন বিধিমালায় স্পষ্ট করা হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকারদের বিনিয়োগকারীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে। স্বার্থের সংঘাত, তথ্যের গোপনীয়তা, বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কিত নিয়ম আরও শক্তিশালী করা হবে।
"মার্চেন্ট ব্যাংকারদের ওপর বিনিয়োগকারীর আস্থা অনেকাংশেই নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কতটা দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছভাবে গ্রাহকের অর্থ পরিচালনা করছে। তাই লাইসেন্স দেওয়ার পাশাপাশি কার্যক্রম তদারকির কাঠামোকেও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাহমুদুল হক, মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, অমিত কুমার সাহা, মেহরান আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (কার্যদিবস), ২৪ (আগস্ট ২০২১)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!