📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের নতুন 'প্ল্যান অব অ্যাকশন' প্রত্যাখ্যান করেছে। পাওনা অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কর্মপরিকল্পনা বিবেচনা করা হবে না বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের নিশ্চয়তা দিতে হবে বলে দাবি করেছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেডের নতুন 'প্ল্যান অব অ্যাকশন' প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কর্মপরিকল্পনা বিবেচনা করা হবে না। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালামের তথ্য অনুযায়ী, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের দাখিলকৃত পরিকল্পনায় পাওনা মিটানোর কোনো বাস্তবসম্মত রূপরেখা না থাকায় সেটিকে আগের পরিকল্পনার পুনরাবৃত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএসইসি ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের নতুন 'প্ল্যান অব অ্যাকশন' প্রত্যাখ্যান করেছে; পাওনা মিটানোর আগে কোনো পরিকল্পনা গ্রহণযোগ্য নয়
- 📌 ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ ও ১৪ জুন পাঠানো পরিকল্পনাও কমিশন অসন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছিল
- 📌 বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত পাওনা নির্ধারণ ও অর্থের উৎস নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন পরিকল্পনা বিবেচনা করা হবে না
- 📌 ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ কখনোই বিনিয়োগকারীদের পাওনা অর্থের একটি অংশও পরিশোধ করেনি
- 📌 বিএসইসি মনে করছে, শুধু পরিকল্পনা জমা দেওয়া বা আশ্বাস দেওয়া যথেষ্ট নয়—বাস্তবে অর্থ ফেরতের অগ্রগতি দেখাতে হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের নতুন 'প্ল্যান অব অ্যাকশন' পর্যালোচনা করে অসন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছে। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালামের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির দাখিলকৃত পরিকল্পনায় বিনিয়োগকারীদের পাওনা অর্থ পরিশোধের কোনো বাস্তবসম্মত রূপরেখা নেই। ফলে আগের পরিকল্পনার মতো নতুন পরিকল্পনাও গ্রহণযোগ্য নয়।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের দাখিলকৃত 'প্ল্যান অব অ্যাকশন' এবং প্রতিষ্ঠানটির অতীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নতুন পরিকল্পনাতেও পাওনা অর্থ পরিশোধের কোনো সুস্পষ্ট, সময়ভিত্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা নেই। এর আগে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ পাঠানো এক চিঠিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মতামতের ভিত্তিতে ক্রেস্টের কর্মপরিকল্পনাকে 'পুনরাবৃত্তিমূলক ও অসন্তোষজনক' হিসেবে উল্লেখ করেছিল বিএসইসি। ওই পরিকল্পনায় বিনিয়োগকারীদের দাবি করা অর্থ কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছিল না।
কমিশনের দৃষ্টিতে, শুধু একটি পরিকল্পনা জমা দেওয়া বা ভবিষ্যতে অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া যথেষ্ট নয়। বরং বাস্তবে অর্থ ফেরতের অগ্রগতি দেখানোই হবে পরবর্তী আলোচনার ভিত্তি। ক্রেস্ট সিকিউরিটিজকে প্রথমে বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত পাওনার পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। এরপর সেই অর্থ কোথা থেকে এবং কীভাবে সংগ্রহ করা হবে, তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। শুধু অর্থের উৎসের কথা বললেই হবে না; বাস্তবে অর্থের সংস্থান করে বিনিয়োগকারীদের পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নিতে হবে।
"ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের দাখিল করা ‘প্ল্যান অব অ্যাকশন’ এবং প্রতিষ্ঠানটির অতীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করেছে কমিশন। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির নতুন কর্মপরিকল্পনাতেও বিনিয়োগকারীদের পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে সুস্পষ্ট, সময়ভিত্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য কোনো রূপরেখা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ মার্চ ২০২৫, ১৪ জুন ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!