📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের গতানুগতিক ছাঁচের বাইরে চিন্তা করার সুযোগ দিতে হবে। তিনি বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানিয়েছেন
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ১৫তম মেডিকেল বায়োকেমিস্ট্রি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তার পথ তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের বিশাল মেধা ও স্বপ্নকে নির্দিষ্ট ছাঁচে বন্দি না করে বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ দিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তরুণ চিকিৎসকদের বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- 📌 মলিকুলার বায়োলজি ও জিনতত্ত্ব ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিশ্বজুড়ে ডাটা অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এখনো বিশাল গবেষণার সুযোগ রয়েছে
- 📌 ২০০০ সালের নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৩০-এর বেশি পোস্ট-গ্রাজুয়েট বায়োকেমিস্ট রয়েছে
- 📌 মেডিকেল কলেজে শিক্ষক সংকট নিরসনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুনরায় নিয়োগ ও প্রণোদনা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 চিকিৎসা শিক্ষা, নার্সিং, ফার্মাসিউটিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক সার্ভিস চারটি স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সরকারি ড. জিয়া হায়দার
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের গতানুগতিক ধারার বাইরে তরুণদের নিজস্ব স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়ার পথ তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, হিউম্যান জিনোম প্রজেক্টের মতো বৈশ্বিক উদ্যোগে উন্নত বিশ্বের বাইরে বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশের পর্যাপ্ত ডাটা অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এখনো বিশাল কাজের সুযোগ রয়েছে। এদেশের মেধাবী তরুণ চিকিৎসকরা একটু সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
অধ্যাপক লিয়াকত আলীর উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সীমিত থাকলেও একাগ্রতা ও ভিশন নিয়ে কিভাবে আন্তর্জাতিক মানের গবেষক হতে হয়, তার উজ্জ্বল উদাহরণ তিনি। সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, মেডিকেল বায়োকেমিস্ট্রি খাতের শিক্ষক সংকট নিরসনে সরকার ইতোমধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পুনরায় যুক্ত করার এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সরকারি ড. জিয়া হায়দার বলেন, চিকিৎসা শিক্ষা, নার্সিং, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং ডায়াগনস্টিক সার্ভিস এই চারটি স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পোস্ট-গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে ফিজিওলজি বা বায়োকেমিস্ট্রির মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সংখ্যা অত্যন্ত কম, যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নিয়মিত চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
"চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষ করে মলিকুলার বায়োলজি এবং জেনেটিকস বা জিনতত্ত্বের ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। এখনো বিশাল কাজের সুযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, হোটেল সোনারগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সরকারি ড. জিয়া হায়দার, অধ্যাপক লিয়াকত আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর, ১৫তম সম্মেলন, ৫৩০-এর বেশি পোস্ট-গ্রাজুয়েট বায়োকেমিস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!