📌 দিনাজপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে পাখিদের জন্য নিরাপদ বাসা বাঁধার কর্মসূচিতে ৩১ আগস্ট দিনাজপুর সরকারি কলেজে উদ্বোধন করা হয়। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই উদ্যোগে ৫০টি হাঁড়ি বাঁধা হয়
দিনাজপুরে পাখিদের জন্য নিরাপদ বাসা বাঁধার উদ্যোগে দিনাজপুর বন্ধুসভার সভাপতি শবনম মুস্তারিনের সঞ্চালনায় গত ৩১ আগস্ট দিনাজপুর সরকারি কলেজের ডলফিন চত্বরে কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগে জেলা ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. আশিকা আকবর তৃষা বলেন, ‘গাছে হাঁড়ি বাঁধা পাখিদের জন্য মমতার একটি কাজ। এপ্রিল-মে থেকে শুরু হওয়া প্রজনন মৌসুম নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে পাখিদের ডিম পাড়ার জন্য নিরাপদ জায়গা প্রয়োজন।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ আগস্ট দিনাজপুর সরকারি কলেজের ডলফিন চত্বরে পাখির অভয়ারণ্য তৈরির উদ্যোগে কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়
- 📌 ৫০টি হাঁড়ি বাঁধা হয় কলেজ ক্যাম্পাসের ফলদ ও বনজ গাছে
- 📌 ডা. আশিকা আকবর তৃষা বলেন, পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করলে তাদের কষ্ট কমবে
- 📌 মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বনাঞ্চলের হ্রাস পাখিদের বাসস্থান হারাতে বাধ্য করছে
- 📌 অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, মানুষ ও পাখির সহাবস্থান প্রকৃতির পূর্ণতা নিশ্চিত করবে
📰 বিস্তারিত
পাখি রক্ষা প্রকৃতির সুরক্ষা প্রতিপাদ্যে দিনাজপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দিনাজপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত বনাঞ্চল প্রয়োজন। কিন্তু দিন দিন বনাঞ্চল কমে আসছে। পাশাপাশি পাখিদের বাসা বাঁধার উপযোগী গাছ রোপণ না হওয়ায় তারা নিরাপদ আবাসস্থল হারাচ্ছে।’
অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিঞা বলেন, ‘বাংলাদেশে বনাঞ্চল কম থাকায় অনেক পশুপাখি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পাখির বিলুপ্তি রোধে এই উদ্যোগ সময়োপযোগী।’ দিনাজপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘মানুষ যেমন প্রকৃতির অংশ, পাখিরাও তেমনি প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সবাইকে নিয়ে বাঁচতে পারলেই প্রকৃতির সৌন্দর্য পূর্ণতা পাবে। তিনি ভবিষ্যতেও বন্ধুসভার ভালো কাজের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবুজের ছায়ায়, প্রকৃতির মায়ায় অবস্থান করছি। পাখির কিচিরমিচির আমাদের মনকে আপ্লুত করে। পরিবেশবান্ধব প্রকৃতি হলে আমরাও ভালো থাকব।’
"গাছে হাঁড়ি বাঁধা পাখিদের জন্য মমতার একটি কাজ। এপ্রিল-মে থেকে শুরু হওয়া প্রজনন মৌসুম নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে পাখিদের ডিম পাড়ার জন্য নিরাপদ জায়গা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুর সরকারি কলেজ, ডলফিন চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শবনম মুস্তারিন, ডা. আশিকা আকবর তৃষা, মো. শরীফুল ইসলাম, মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মো. লুৎফর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ (আগস্ট), ৫০ (টি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!