📌 সরকার ৪০৩৯ কোটি টাকার প্রকল্পে যক্ষ্মা, এইডস ও ম্যালেরিয়া রোগীদের মাসে ৮২০ টাকা পুষ্টিসহায়তা দিতে যাচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ১০ লাখ রোগীকে চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকার যক্ষ্মা, এইচআইভি-এইডস ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে একটি বড় প্রকল্পের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা ও পুষ্টিসহায়তা বাড়াতে যাচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় মাসে ৮২০ টাকা করে পুষ্টিসহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা ও শনাক্তকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার ৪০৩৯ কোটি টাকার প্রকল্পে যক্ষ্মা, এইডস ও ম্যালেরিয়া রোগীদের মাসে ৮২০ টাকা পুষ্টিসহায়তা দেবে
- 📌 যক্ষ্মারোগীদের ৬ মাস, এইডস ও ম্যালেরিয়া রোগীদের ১ বছর এই সহায়তা দেওয়া হবে
- 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪০৩৯ কোটি টাকার মধ্যে সরকার ৩১৬৯ কোটি টাকা, গ্লোবাল ফান্ড ৮৭০ কোটি টাকা দেবে
- 📌 প্রকল্পের আওতায় ১০ লাখ যক্ষ্মা রোগীকে চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে
- 📌 ১৭ হাজার ৭০০ এইডস রোগীর মধ্যে ৯ হাজার ৪০০ রোগীকে ১ বছর ধরে মাসে ৮২০ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে
- 📌 প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৯ সালে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে যক্ষ্মা, এইচআইভি-এইডস ও ম্যালেরিয়া মোকাবিলায় সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি মাসে ৮২০ টাকা করে পুষ্টিসহায়তা দেওয়া হবে। যক্ষ্মারোগীদের এই সহায়তা ৬ মাস এবং এইচআইভি ও ম্যালেরিয়া রোগীদের ১ বছর দেওয়া হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০৩৯ কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার ৩১৬৯ কোটি টাকা এবং গ্লোবাল ফান্ড ৮৭০ কোটি টাকা দেবে।
প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১০ লাখ যক্ষ্মা রোগীকে শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। এছাড়াও এইচআইভি পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমানে ২৩ জেলায় এইচআইভি পরীক্ষার সেবা রয়েছে, কিন্তু নতুন রোগী শনাক্তের প্রবণতা বাড়ায় প্রতিটি জেলা সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেছেন, প্রকল্পের স্থায়ী সমাধান থাকা উচিত। তিনি বলেন, “এই তিনটি রোগের চিকিৎসাসেবা সরকারি বিদ্যমান চিকিৎসাসেবার সঙ্গে কীভাবে একীভূত করা যায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এটি করতে না পারলে প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে রোগীদের চিকিৎসাসেবা পেতে সমস্যা হবে।”
অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ আরও বলেন, “এখন শুধু এইচআইভি এইডস রোগীদের পুষ্টিকর খাবারের জন্য কিছু টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা দেখা যায়, রোগীরা এই টাকা পুষ্টিকর খাবারে খরচ করেন না। অন্য খাতে এ টাকা খরচ করেন। তাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে পুষ্টিকর খাবারের জন্য দেওয়া টাকা যাতে এই খাতে খরচ হয়, সেটি নিশ্চিত করা।"
"অপারেশন প্ল্যান কিংবা প্রকল্প, কোনোটি তিন বছরের জন্য; আবার কোনোটি পাঁচ বছরের জন্য। কিন্তু এ তিনটি রোগের একটি স্থায়ী সমাধান থাকা উচিত। সে জন্য প্রকল্প বা ওপি থেকে বের হয়ে এসে সরকারি বিদ্যমান চিকিৎসাসেবার সঙ্গে এ তিনটি সেবাকে কীভাবে একীভূত করা যায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০৩৯ কোটি টাকা (মোট প্রকল্প ব্যয়), ৮২০ টাকা (মাসিক সহায়তা), ১০ লাখ (যক্ষ্মা রোগী), ৯ হাজার ৪০০ (এইডস রোগী), ১৭ হাজার ৭০০ (মোট এইডস রোগী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!