📌 ঠাকুরগাঁওতে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের অতিথি নিবাসে ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের উদ্যানে দুটি বিরল ফুলের পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে টাঙ্গনপারে বিপন্ন উদ্ভিদ রোপণের বিশাল প্রকল্পের কথা জানা যায়। রেড বগ লিলি ও অ্যাপ্রিকট ড্রিম কলাবতীর বৈশিষ্ট্য ও রোপণ প্রকল্পের বিস্তারিত এখানে
ঠাকুরগাঁও জেলার ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) অতিথি নিবাসে সকালের প্রথম আলোতে দুটি বিরল ফুলের পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে টাঙ্গনপারের বিপন্ন উদ্ভিদ রোপণ প্রকল্পের কথা জানতে পেরেছি। এই উদ্যানের অধিপতি ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান একজন বৃক্ষপ্রেমী ব্যক্তি, যাঁর অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো গাছের পাতাও স্পর্শ করা যাবে না। উদ্ভিদ বিষয়ক এই সফরের প্রধান উদ্যোক্তা অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ জানান, এই ভবনের প্রতিটি তলায় সুসজ্জিত উদ্ভিদের সমাবেশ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁওতে ইএসডিও অতিথি নিবাসে ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের উদ্যানে দুটি বিরল ফুলের পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে টাঙ্গনপারে বিপন্ন উদ্ভিদ রোপণের প্রকল্পের কথা জানা যায়
- 📌 রেড বগ লিলি (Crinum menehune) এর বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য: গাঢ় লাল পাতা (২৪ ইঞ্চি লম্বা), গোলাপি-লাল ফুল, গ্রীষ্ম থেকে শরৎকাল পর্যন্ত ফোটে, ছয় ইঞ্চি পানিতে জন্মাতে পারে
- 📌 অ্যাপ্রিকট ড্রিম কলাবতী: উষ্ণ অ্যাপ্রিকট রঙের পাপড়ি, লালচে ছোপ, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফোটে, উন্মুক্ত চত্বর ও টবে লাগানোর উপযুক্ত
- 📌 টাঙ্গনপারে গত বছর ২০০টি বিপন্ন উদ্ভিদ রোপণ করা হয়, এ বছর আরও গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 কথাসাহিত্যিক ফারুক মঈনউদ্দীনও এই উদ্ভিদ সফরে অংশ নেন
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও জেলার ইএসডিও অতিথি নিবাসে সকালের প্রথম আলোতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম বুদ্ধনারকেলের মতো কিছু উদ্ভিদ। অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ জানান, এই পরিপাটি ভবনের প্রতিটি তলায় সুপরিসর বারান্দায় বিচিত্র পুষ্প-উদ্ভিদের সমাবেশ ঘটানো হয়েছে। বিশেষত, একটি তলায় রেড বগ লিলি (Crinum menehune) এবং অ্যাপ্রিকট ড্রিম কলাবতী নামে দুটি বিরল ফুলের পরিচয় পেয়েছি। রেড বগ লিলি গাছের পাতা গাঢ় মেরুন-লাল রঙের, এক থেকে দুই ইঞ্চি চওড়া এবং ২৪ ইঞ্চি লম্বা হতে পারে। এই গাছের পাতা সাধারণত বিবর্ণ হয় না এবং গাঢ় লালই থাকে। পাতার কোল থেকে গাঢ় লাল ডাঁটায় গোলাপি-লাল রঙের ফুল ফোটে।
অন্যদিকে, অ্যাপ্রিকট ড্রিম কলাবতী ফুলের বাহারি রঙের শেষ নেই। এই ফুলের গোলাপি আভার রেশমি পাপড়িগুলো উষ্ণ অ্যাপ্রিকট রঙে আবৃত থাকে। ফুলের মাঝখানে একটি লালচে ছোপ থাকে, যা পাপড়ির রঙের সঙ্গে বৈপরীত্য তৈরি করে। এই ফুল জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফোটে এবং উন্মুক্ত চত্বর বা টবে লাগানোর জন্য উপযুক্ত। কথাসাহিত্যিক ফারুক মঈনউদ্দীনও এই উদ্ভিদ সফরে অংশ নেন এবং পিনাট বাটারগাছের ফুল-ফলের ছবি তোলেন।
টাঙ্গনপারে মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের পৃষ্ঠপোষকতায় বিপন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণের প্রকল্প চলছে। গত বছর এখানে প্রথম দুর্লভ ও বিপন্ন প্রজাতির ২০০টি উদ্ভিদ রোপণ করা হয়। এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় এ বছর আরও গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যানে বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
"এই পরিপাটি ভবনের প্রতি তলায় সুপরিসর বারান্দায় বিচিত্র পুষ্প-উদ্ভিদের সমাবেশ ঘটানো হয়েছে। ভবনের চারপাশেও অনেক অপ্রচলিত বৃক্ষ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা, ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের অতিথি নিবাস ও টাঙ্গনপার উদ্যান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান, অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ, ফারুক মঈনউদ্দীন
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০টি বিপন্ন উদ্ভিদ রোপণ করা হয়েছে, ২৪ ইঞ্চি লম্বা পাতা, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফুল ফোটে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!